ঢাকা, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২

উখিয়ায় জমি দখলে বাধা দিলে হামলার ঘটনায় আহত-৩

প্রকাশ: ২০২২-০৪-১৮ ১৬:১৮:৩৭ || আপডেট: ২০২২-০৪-১৮ ১৬:১৯:৫৪

 

বিশেষ প্রতিবেদক:
উখিয়ায় অবৈধভাবে জমি দখলে বাধা দিলে প্রতিপক্ষের হামলায় ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৪ জনকে আসামি করে উখিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

রোববার ভোর ৬টার দিকে রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তর পুকুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন, রুহুল্লার ডেবা এলাকার রুহুল্লার ডেবা এলাকার আবদুস সালামের পুত্র আবদুল্লাহ আল কায়সার, আবদুল্লাহ আল ফায়সাল ও মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র সাইফুল ইসলাম রোকন।

তাদের উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে কায়সার ও ফায়সালের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয় জানান, ওই গ্রামের সৈয়দুল কাদেরের সাথে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তা নিয়ে বিভিন্ন সময় বিচার শালিস হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। শেষমেশ এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম রুকন জানান, আমাদের ৪০ বছরের ভোগদখলীয় উখিয়া থানাধীন রাজাপালং মৌজার আর এস খতিয়ান নং- ১৮০, আর এস দাগ নং- ১৩০৪, ২৫০২, ১৩০০, ১৩০১ এর আন্দর ২২ শতক জমি (যার চৌহদ্দি উত্তরে- নজু মিয়া মুন্সী গং এর নাল জমি, দক্ষিনে- নজু মিয়া মুন্সী গং এর নাল জমি, পূর্বে বিবাদীদের বসত বাড়ী, পশ্চিমে চলাচল। রাস্তা পরবর্তী উত্তর পুকুরিয়া কবরস্থান) আমার ও আমার অপরাপর শরীকদারগনের ওয়ারীশি এবং গত ১০/০৮/১৯৮২ ইং তারিখের উখিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের রেজিঃ দলিল নং- ২৬৮৭ মূলে আমার জেঠা ৭নং সাক্ষী আব্দুস ছালাম (৭৫) এর নামে ক্রয়কৃত বহু বছরের ভোগ দখলীয় সম্পত্তি হয়। আমি ওয়ারীশদের পক্ষে বর্ণিত জমি শাসন সংরক্ষণ সহ তদারক করতে থাকি।

এদিকে জমির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় এবং উক্ত জমি তাদের বাড়ির পাশে হওয়ায় তারা বিভিন্ন সময় জমিটি দখলের নেওয়ার পায়তারা করে এবং আমাদের পরিবারকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসে। তাই আমরা থানার দারস্থ হলে তাদেরকে নিয়ে বৈঠকে বসে সমাধানের জন্য ডাকলে তারা থানায় উপস্থিত না হলে স্থানীয়ভাবে শালিস করা হয়। স্থানীয় বৈঠকে ৩৫ শতকের জায়গার মধ্যে ৩২ শতক জায়গার রায় আমাদের পক্ষে এবং বাকী ৩ শতক তাদের পক্ষে রায় হয়। কিন্তু তা তারা মানতে নারাজ হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ভোরের আলো ফোটার আগেই তারা অবৈধভাবে আমাদের জায়গায় দখলে নিতে ঘর বাধার কাজ শুরু করে। এমতাবস্থায় আমরা গিয়ে বাধা দিলে পূর্বপরিকল্পিত ভাড়া করা সন্ত্রাসী নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। এখন আমার দুই ভাই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহমেদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। ভুক্তভোগীর পরিবার লিখিত দিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।