ঢাকা, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২

পালং কমিউনিটি প্যারামেডিক ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টশন সম্পন্ন

প্রকাশ: ২০২২-০৪-০২ ০০:২৬:৪৪ || আপডেট: ২০২২-০৪-০২ ০০:২৬:৪৪

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
পালং মেডিকেল ইনস্টিটিউটের অঙ্গপ্রতিষ্টান পালং কমিউনিটি প্যারামেডিক ইনস্টিটিউটের “কমিউনিটি প্যারামেডিক কোর্স’র” দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টশন ক্লাস শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ছলিম উল্লাহ সুজনের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভালুখিয়া পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসান জামাল। প্রধান বক্তা ছিলেন, রেজুরকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু অমৃত কুমার বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ উখিয়া উপজেলার সাবেক সভাপতি সৈয়দ মো.নোমান।
বক্তারা বলেন, দুই বছরের কোর্সের পর কমিউনিটি প্যারামেডিকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, সাধারণ রোগের চিকিৎসা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, গর্ভকালীন সেবা, প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর সেবা এবং নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবার কাজ দক্ষতার সঙ্গে করতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, এই কমিউনিটি প্যারামেডিকরা রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর তাদের সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান (রেফার) করতে সক্ষম।
এই কমিউনিটি প্যারামেডিকদের সরকার পরিবার পরিকল্পনা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়োগ দিতে পারে। যেহেতু তাদের দুই বছরের কোর্স করা রয়েছে, ফলে তাদের অতিরিক্ত কোনো প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে না। ফলে দক্ষ নার্সের যে সংকট রয়েছে, সেটি দূর হবে এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, সেটি পূরণেও এটি সহায়ক হবে।
শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন কমিউনিটি প্যারামেডিক কোর্সের ১ম ব্যাচের ছাত্র মোহাম্মদ সোহেল, গীতাপাঠ করেন ডিপ্লোমা ইন সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারী কোর্সের প্রথম ব্যাচের ছাত্রী ঝুমকি দে, ত্রিপিঠক পাঠ করেন কমিউনিটি প্যারামেডিক কোর্সের ১ম ব্যাচের ছাত্রী রেনি বড়ুয়া।
বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক শুভংকর বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শিক্ষক/শিক্ষিকা ও কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন, শিখা ছিদ্দিকী, সোমা আক্তার, ডাঃ শামীম নেওয়াজ বাপ্পা, শফিকুর রহমান, মন্জিলা খাতুন, দিপ্তী দে, ডাঃ ফিরোজ মাহমুদ, নুরুল আবছার, ইমরান হোসেন রুবেল প্রমুখ।
অরিয়েন্টেশনে নবীনদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ১ম ব্যাচের ছাত্র/ছাত্রীরা। নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।