ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২

সাংবাদিক’কে ইউএনও’র গালিগালাজ: হাইকোর্টের উষ্মা প্রকাশ

প্রকাশ: ২০২২-০৭-২৪ ১৪:২২:১৮ || আপডেট: ২০২২-০৭-২৪ ১৪:২২:১৮

সিএসবি-টুয়েন্টিফোর ডেস্কঃ

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নিয়ে সংবাদ পরিবেশনকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদককে ফোন করে গালিগালাজ করেছেন টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কায়সার খসরু। এ ঘটনায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ‘ইউএনও যে ভাষা ব্যবহার করেছে তা মাস্তানের ভাষার চেয়েও খারাপ।’

রবিবার (২৪ জুলাই) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

ওই ঘটনায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

প্রতিবেদনগুলো নজরে আনার পর হাইকোর্ট বলেন, একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা যে ভাষা ব্যবহার করেছেন তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য ও আপত্তিকর। কোনও রং হেডেড ব্যক্তি ছাড়া কেউ এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে পারেন না। ইউএনও কায়সার খসরুর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য। ইউএনও যে ভাষা ব্যবহার করেছে তা মাস্তানের ভাষার চেয়েও খারাপ। তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা রাষ্ট্রপক্ষকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত ২১ জুলাই ‘নিচু জায়গায় নির্মাণ করা উপহারের ঘর পানিতে ভাসছে’ শিরোনামে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা হোয়াব্রাং এলাকার সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের সবগুলো নতুন ঘর পানিতে ভাসছে। ফলে সেখানে থাকা ২৭টি পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।’

‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে উপহারের ঘরগুলো এমন নিচু জায়গায় করা নিয়ে স্থানীয় লোকজন শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিলেন। তাদের অভিযোগ ছিল, ঘর তৈরিতে মাটির নিচে ইট ব্যবহার করা হয়নি। এ ছাড়া নিম্নমানের ইট, বালি-রড, কাঠ ও অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এজন্য তারা দায়ী করেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে।’

পরে ওই সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে গত ২১ জুলাই রাতে ঢাকা পোস্টের কক্সবাজার প্রতিনিধি সাইদুল ফরহাদকে ফোনে গালিগালাজ করেন ইউএনও কায়সার খসরু।

সিএসবি-টুয়েন্টিফোর;২৪/৭ঃঅ-১১৫(স+০০১১৯)