ঢাকা, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

উখিয়ায় গত দুইদিনে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-৫, আহত-২

প্রকাশ: ২০২২-০৩-২৩ ১৯:৫৮:৫২ || আপডেট: ২০২২-০৩-২৩ ২০:৪৯:৫৭

 

পলাশ বড়ুয়া: 
কক্সবাজারের উখিয়ায় গত দুইদিনে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় ৫জন নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরো দুইজন। নিহত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান করা হবে এমনটি জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২২ মার্চ) রাত পৌনে ১১টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন টিভি টাওয়ারের ঢালুতে মর্মান্তিক এই দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড জুম্মাপাড়া গ্রামের বাবুলের ছেলে মোহাম্মদ আমিন, রাজাপালং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সিকদারবিল গ্রামের নুর আলমের ছেলে জিহান ও রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড হাঙ্গরঘোনা গ্রামের ছৈয়দ আলমের ছেলে নুরুল ইসলাম এবং সনাতন শর্মা নামের কুতুপালং হিন্দু ক্যাম্পের একজন হিন্দু রোহিঙ্গা। হতাহতদের সবাই অটোরিকশার যাত্রী ও চালক বলে জানা গেছে।

অপরদিকে আজ বুধবার সকালে ডাম্পারের ধাক্কায় রাজাপালং এলাকার মৃত নুরুল হক কোম্পানির মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে রাহাত নিহত হয়েছে। বিষয়টি জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সালাহ উদ্দিন।

উখিয়া শাহপুরী হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ শেফায়েতুল ইসলাম জানিয়েছেন, গতরাতে কক্সবাজারগামী অটোরিক্সা (কক্সবাজার-থ-১১-৫৩২৯) ও টেকনাফমূখী ডাম্পারের মুখোমুখী সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে। কবলিত গাড়ী দুটি জব্দ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মর্মান্তিক দূর্ঘটনার ডাম্পারের ঘাতক চালক বালুখালীর মাহমুদল হকের ছেলে মো: হোসাইন ছোটন (২৮)। সে গাড়ি চালানো শিখছিল।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহাম্মদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেছেন, ঘাতক ডাম্পার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দূর্ঘটনার পর থেকে থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৪টি অবৈধ ডাম্পার আটক করেছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান হোসাইন সজীব বলেছেন, সড়ক দূর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে। এছাড়াও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে অবৈধ ডাম্পার চলাচল বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও বলেন তিনি।