ঢাকা, বুধবার, ২৫ মে ২০২২

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি দখল করেছে ছাত্রদল নেতারা, থানায় অভিযোগ দায়ে

প্রকাশ: ২০২২-০২-১১ ২২:২৪:৪১ || আপডেট: ২০২২-০২-১১ ২২:২৪:৪১

বার্তা পরিবেশক:
কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষিকার জমি রাতের আঁধারে দখল করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইমরানুল হাসান আরফাত নামের এক ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে আক্রমণ চালিয়ে মূল্যবান জমিটি দখল করার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা ফরিদা খানম চৌধুরী।

তিনি কক্সবাজার পিটিআই এর সাবেক সুপারিন্টেনডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর আলমের স্ত্রী। এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে ফরিদা খানম চৌধুরী ও তার ভাই মরহুম শাহেদ চৌধুরী যৌথভাবে
.৬০ শতক জমি ক্রয় করেন। পরে দুইজনের নামে খতিয়ানও সৃজন করেছেন। এর মধ্যে শাহেদ চৌধুরী মারা যান। তার কোন সন্তান-সন্ততি না থাকায় মা ও ভাইবোনেরা অংশীদার হয়।

অন্যদিকে ক্রয়ের পর থেকে ফরিদা খানম ওই জমিতে ঘর নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বাস করে আসছিলেন। এর মধ্যে গত ৯ ফেব্রুয়ারি চাচি শ্বাশুড়ির মৃত্যতে গ্রামের বাড়ি পেকুয়ায় যায় ফরিদা খানম ও তার স্বামী শাহেদ চৌধুরী। এর মধ্যে ওইদিন রাতে ছাত্রদল নেতা ইমরুল হাসান আরফাতের নেতৃত্বে একদল লোক নিয়ে আক্রমণ করে জমিটি দখল করে নেয়। এসময় বাড়িতে থাকা ফরিদা খানমের পুত্র ফাহাদ বিন জাফরকে বাইরে তালা দিয়ে আটকে রাখে।

ফরিদা খানম জানান, তার জ্ঞান শক্তি লোপ পাওয়া বৃদ্ধ মায়ের কাছ থেকে একটি হেবা দলিল গ্রহণ করে ফরিদা খানম চৌধুরীর বোন সেলিনা পারভিন। এই ভুয়া দলিল সৃজনের ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন ফরিদা খানম চৌধুরী। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সেলিনা পারভিনের পুত্র ইমরুল হাসান আরফাতের নেতৃত্বে জমিটি দখল করা হয়েছে।
ফরিদা খানম অভিযোগ করেছেন, সন্ত্রাসী কায়দায় জমিটি দখল করার উল্লাস করছে দখলকারীরা। জায়গায় দাঁড়িয়ে সেলিফে তুলছে এবং নানা হকাবকা করছে।

এই ঘটনায় সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আদালতে বিচারাধীন মামলাকে তোয়াক্কা না করে জমি দখল করা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে ব্যাপারে জানতে চাইলে ছাত্রদল নেতা ইমরুল হাসান আরফাত বলেন, আমরা ওয়ারিশ সূত্রে নানির অংশে জমিতে উঠেছি। আমরা কারো জমি দখল করিনি।