ঢাকা, রোববার, ১৪ আগস্ট ২০২২

জুতা পালিশ করেও যদি অন্তত এক টুকরো রুটি জুটে

প্রকাশ: ২০২১-১২-৩০ ১৭:৫৯:১৬ || আপডেট: ২০২১-১২-৩০ ১৭:৫৯:১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মোঃ পারভেজ। বয়স ১৩ বছর। নিজের ও পরিবারের মুখে দু’মুটো খাবার তুলে দিতেই বই-খাতা ছেড়ে উপার্জনের পথে নেমেছে সে।

আফগানিস্তানের এখন যেখানেই যাওয়া হোক না কেন সেখানেই শিশু শ্রমিকদের দেখতে পাওয়া যায়। গাড়ি পরিষ্কার, আবর্জনার স্তূপ থেকে কিছু সংগ্রহ, জুতো পালিশ থেকে শুরু করে নানা ধরনের কাজ করতে দেখা যায় এরকম শিশুদের।

রাজধানী কাবুলে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে পারভেজ। প্রতিদিন সকাল ৮টার সময় কাজে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বাইরে হয় সে।

মাত্র কয়েক মাস আগেই পারভেজ এবং তার চাচাতো ভাই জুতো পালিশের কাজে নেমে পড়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত বিবিসি’র প্রতিবেদনে পারভেজ বলে, “আমি প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ আফগানি টাকা রোজগার করি।”

আগে আমি ১৫০ আফগানি টাকা আয় করলেও এখন আর আগের মতো ইনকাম হচ্ছে না। যখন আমার বাবার চাকরি চলে যায় তখন থেকে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে টাকা উপার্জনে নেমে পড়ি। আর এখন সবকিছুরই দাম আকাশছোঁয়া। এক বস্তা আটার দাম ৩ হাজার আফগানি টাকা, তেলের দাম হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ আফগানি টাকা।”

পারভেজ আরো বলে, “লোকজন তাদের জুতো আমাদের দিয়ে পালিশ না করালে সত্যি আমার খুব খারাপ লাগে। তারা জুতা পালিশ করালেই আমরা দুই থেকে তিন টুকরা রুটি কিনে খেতে পারি। মাঝে মধ্যে কাজ না থাকার কারনে আমাকে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয়।”

উল্লেখ্য শুধু পারভেজ নয়- তার মতো হাজারো শিশু প্রতিনিয়ত জীবন যুদ্ধে এভাবে নেমে পড়ে।

সিএসবিটুয়েন্টিফোর-৩০/১২-ড,