ঢাকা, শনিবার, ২০ আগস্ট ২০২২

দুই কিডনি হারানো রফিকের চিকিৎসা সহায়তায় হাত বাড়ালেন প্রবাসী বঙ্গবন্ধু পরিষদ

প্রকাশ: ২০২১-১২-০৯ ২০:২১:২৩ || আপডেট: ২০২১-১২-০৯ ২০:২৩:৪০

এম. মতিন, রাঙ্গুনিয়া:

গত ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার খোন্দকার পাড়া গ্রামের দুই কিডনি হারানো রফিককে নিয়ে ‘দুই কিডনি হারানো রফিক বাঁচতে চায়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর দৃষ্টিগোচর হয় উত্তর রাঙ্গুনিয়া প্রবাসী বঙ্গবন্ধু পরিষদের। এরপর কিডনি রোগাক্রান্ত রফিকুল ইসলামের পাশে দাঁড়ালো প্রবাসী বঙ্গবন্ধু পরিষদ। দিয়েছেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে উত্তর রাঙ্গুনিয়া প্রবাসী বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতারা আর্থিক অনুদান নিয়ে ছুটে যান অসুস্থ রফিকের বাসায়। চিকিৎসার জন্য রফিকের হাতে নগদ অর্থসহায়তা তুলে দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল গফুর।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন এ্যাপি, রাশেদ বিন মো: আলী, আবদুল জব্বার, ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন বাবু, খাজা শাহজাহান, মেম্বার মোহাম্মদ পিয়ারু, মো: আলমগীর ও মোহাম্মদ শফি প্রমূখ।

রফিকুল ইসলাম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নে ধামাইরহাট ৮নং ওয়ার্ডের খোন্দকার পাড়া গ্রামের মমতাজুল হকের একমাত্র সন্তান।

আবদুল গফুর বলেন, বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে আমরা দুটি কিডনি হারানো অসুস্থ রফিকের আর্থিক অসচ্ছলতা কথা জানতে পারি। তাই সঙ্গে সঙ্গে উত্তর রাঙ্গুনিয়া প্রবাসী বঙ্গবন্ধু পরিষদ তার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেই। তাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সাংবাদিক এম. মতিনকে ধন্যবাদ জানাই। একই সাথে রফিকের সাহায্যের্ত্বে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানাই।

নগদ আর্থিক অনুদান পাওয়ার পর আবেগাপ্লুত রফিক বলেন, আমি উত্তর রাঙ্গুনিয়া প্রবাসী বঙ্গবন্ধু পরিষদকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই বিপদের সময় তারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রচন্ড আর্থিক সমস্যায় ছিলাম। কেউ সাহায্য করছিল না। আমি কিডনি রোগী। সপ্তাহে ২ বার ডায়ালাইসিস করাতে হয় হাসপাতালে গিয়ে। প্রতিবার ৫-৬ হাজার টাকা করে খরচ হয়। বন্ধু- বান্ধব ও আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে এই টাকা ধার করতে হয়।

তিনি অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়ে বলেন, ‌আমি বাঁচতে চাই। আমার মা, স্ত্রী-সন্তানের মাঝে আবারো সুস্থ হয়ে ফিরে আসতে চাই। আমার স্ত্রী দেয়া কিডনিটি টাকার অভাবে প্রতিস্থাপন করাতে পারছি না।সমাজের বিত্তবানসহ রাঙ্গুনিয়ার সাংসদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপির সহায়তা কামনা করছি। আমাকে বাঁচানো হোক, আমি বাঁচতে চাই। বেঁচে থাকার খুব ইচ্ছে আমার।