ঢাকা, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১

বাসা ভাড়া নিয়ে শিশু চুরি, সাত দিন পরে উদ্ধার

প্রকাশ: ২০২১-১০-২৭ ১৩:৪৬:৪০ || আপডেট: ২০২১-১০-২৭ ১৩:৪৬:৪০

বার্তা পরিবেশকঃ

নোয়াখালীর চাটখিলে ভাড়াটিয়া সেজে বাসা ভাড়া নিয়ে শিশু চুরির অভিযোগে মুন্নি আক্তার (২৩) নামের এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি চুরি হওয়া শিশু মরিয়মকেও (২) সাত দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত মুন্নি আক্তার লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার উছাখালী ইউনিয়নের ঝাউগঞ্জ গ্রামের মো. মুসফিকের মেয়ে। একই এলাকা থেকে চুরি হওয়া শিশুকে মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) রাতে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চাঁদখালী গ্রামের মো. রাকিব হোসেন স্ত্রী রোমানা বেগম, ছেলে রুপক ও মেয়ে মরিয়মকে নিয়ে চাটখিল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদ আলমের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। রাকিব হোসেন রিকশা চালিয়ে এবং স্ত্রী রোমানা বেগম অন্যের বাড়িতে কাজ করেন।

গত ১৯ অক্টোবর সকালে কাজে যাওয়ার সময় মরিয়মকে পাশের বাসার ভাড়াটিয়া মুন্নি আক্তারের কাছে রেখে যাওয়া হয়। দুপুরে কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে দেখা যায় মুন্নি আক্তারের বাসার দরজা বন্ধ। পরের দিন শিশুটির বাবা চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ চুরি হওয়া শিশুকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত নারীকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার উছাখালী ইউনিয়নের ঝাউগঞ্জ গ্রাম থেকে প্রযুক্তির সহায়তায় অপহৃত শিশুকে উদ্ধার এবং মুন্নি আক্তারকে গ্রেফতার করা হয় এবং গ্রেফতার হওয়া নারীকে বুধবার সকালে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করা হয়।