ঢাকা, শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১

রোহিঙ্গা নেতা মুহিববুল্লাহ হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে আটক-১

প্রকাশ: ২০২১-১০-০১ ১৭:১৪:২৩ || আপডেট: ২০২১-১০-০১ ১৭:১৮:৫২

পলাশ বড়ুয়া ॥
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মাস্টার মুহিববুল্লাহ’র হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে মোহাম্মদ সেলিম এক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ক্যাম্পে আইন শৃঙ্খলায় রক্ষায় নিয়োজিত এপিবিএন। তাৎক্ষণিক আটক রোহিঙ্গা সম্পর্কে বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

শুক্রবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৬ থেকে এক রোহিঙ্গাকে আটক করার বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন-১৪ এপিবিএন এর অধিনায়ক মো: নাইমুল হক। পরে আটককৃত রোহিঙ্গাকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করার কথাও তিনি জানান।

এ ব্যাপারে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহাম্মদ সঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, আটক এক রোহিঙ্গাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলায় আসামী করা হবে। তিনি এও বলেন, রোহিঙ্গা নেতা মুহিববুল্লাহ’র ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে উখিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামলা করেছে। যার নং- ১২৬।

এদিকে অজ্ঞাতনামা আসামি হওয়ায় আসামি বের করা পুলিশের জন্য চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রফিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে ৯টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ ইষ্ট সংলগ্ন নিজ অফিসেই সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছে এই রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মাষ্টার মুহিববুল্লাহ। সে আরকান রোহিঙ্গা সলিউডারিটি পিচ ফর হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) এর চেয়ারম্যান। সে মিয়ানমারের রাখাইন মংডু এলাকার লংডাছড়া গ্রামের মৃত ফজল আহমদের ছেলে। বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে আসার পর কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্প ১ ইষ্ট ব্লক ডি-৭ আশ্রয় নেয় স্ব-পরিবার।

এর আগে, ২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে আলোচনায় আসেন মুহিবুল্লাহ।

এছাড়াও, তিনি জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পের ফুটবল মাঠে কয়েক লাখ রোহিঙ্গার গণহত্যাবিরোধী যে মহাসমাবেশ হয়েছিল, তা সংগঠিত করেছিলেন মাস্টার মুহিবুল্লাহ।