ঢাকা, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১

উখিয়ায় শ্মশান থেকে অবৈধ দখলমুক্ত করার দাবীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশ: ২০২১-০৯-০৭ ১৫:০৩:২৯ || আপডেট: ২০২১-০৯-০৭ ১৮:৪২:৪৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের উখিয়ার দারোগা বাজার সংলগ্ন এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই শত বছরের পুরনো শ্মশান ভূমি জবরদখল করে স্থাপনা নির্মাণের প্রতিবাদে এবং দখলকারিদের উচ্ছেদের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে দখলকারিদের উচ্ছেদ পূর্বক শ্মশান ভূমি ফিরিয়ে দেয়া না হলে আসন্ন দূর্গোৎসব পালন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন বক্তারা।
মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় উখিয়া উপজেলা সদর স্টেশনে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচীর ঘোষণা দেয়া হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, উখিয়ার দারোগা বাজার সংলগ্ন শ্মশান ভূমিটি দীর্ঘ ২ শত বছর ধরে হিন্দু সম্প্রদায় সৎকার কাজে ব্যবহার করে আসছিল।  শ্মশানটি সরকারি খাস জমি হিসেবে আরএস খতিয়ানে চুড়ান্তভাবে নথিভূক্ত রয়েছে।
যার আর.এস ও বি.এস খতিয়ান- ২ ও ১। আর.এস দাগ- ৭০৮৪, বি.এস   দাগ- ৭০২৯, শ্রেণি- শ্মশান, জমির পরিমাণ ১ একর ২০ শতক।
কিন্তু স্থানীয় জাগির মুন্সির ছেলে সাহাব, মোসলেম উদ্দিন, কফিল উদ্দিন, টুনু ও শাহীন, সাহাব উদ্দিনের ছেলে জিয়া ও রফাত মিলে দীর্ঘদিন ধরে শ্মশানের জায়গা দখল করে নানা স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে।
বর্তমানে শ্মশানের জায়গা সংকূচিত হওয়ায় সৎকার কাজ করাও সম্ভব হচ্ছে না। এ নিয়ে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে অভিযোগ করার পরও জবরদখলদারদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
সমাবেশে আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শ্মশান দখলকারিদের স্থাপনা উচ্ছেদ পূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেয়া না হলে আসন্ন দুর্গোৎসব পালন বন্ধ রাখা সহ মাসব্যাপী নানা কর্মসূচী ঘোষণা দেন প্রতিবাদ কর্মসূচী আয়োজনকারি হিন্দু সম্প্রদায়।
প্রতিবাদ কর্মসূচী শেষে বিক্ষোভকারিরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি স্বারকলিপি উখিয়ার ইউএনও’র মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরণ করা হয়।
এ সময় ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ বিক্ষোভকারিদের মাঝে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি শান্তিপূর্ণ সমাধান করার হবে বলে আশ্বস্থ করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উখিয়া দারোগা বাজার সমাজ শ্মশান ভৈরব ও দুর্গা মন্দির উন্নয়ন এবং পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মৃদুল আইচ ও সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দে সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।