ঢাকা, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের খালে ভাসমান বিচ্ছিন্ন “পা” ॥ শংকিত মানুষ

প্রকাশ: ২০২১-০৯-০১ ২৩:৪০:০৬ || আপডেট: ২০২১-০৯-০২ ০০:৩০:২৯

পলাশ বড়ুয়া ॥
রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার খালে মানুষের একটি বিচ্ছিন্ন “পা” ভাসমান অবস্থায় দেখা গেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে শংকা কাজ করছে। তবে এটি পালং জেনারেল হাসপাতালের অপারেশনকৃত পায়ের অংশ বলে জানা যায়। এ ঘটনায় হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সচেতনমহল।

বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে কক্সবাজার জেলার উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ ইষ্টের ব্লক-সি-১৩ এর কাঁটা তারের বাহিরে ছোটখালের ১৫০ ফুট দূরে মানুষের একটি কাটা পা দেখা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুতুপালংস্থ পালং জেনারেল হাসপাতালে নুরুল ইসলাম নামে একজন রোহিঙ্গা ক্যান্সার রোগীর অপারেশনকৃত পায়ের বিচ্ছিন্ন অংশ এটি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: হেলাল উদ্দিন বলেন, খালে ভাসমান পায়ের বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশি সহায়তায় পুঁতে ফেলা হয়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায় এড়াতে পারে না। তাদের নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার। এ ধরণের কান্ডজ্ঞানহীনতায় সাধারণ মানুষের মাঝে শংকা কাজ করছে।

‍‍‌‍‍জানতে চাইলে পালং জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক আজাদ বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য ও অপারেশনকৃত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পুঁতে ফেলার জন্য নিজস্ব জনবল ও জায়গা আছে। ওই রোগীর স্বজনদের লিখিত দাবীতে প্রেক্ষিতে পায়ের অংশটি তাদের দেয়া হয়। যা তারা না পুঁতে খালে ফেলে দেয়। যা অনাকাঙ্খিত।

খবর পেয়ে বিষয়টি উখিয়া থানাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করা হয় বলে জানিয়েছেন ১৪-এপিবিএন এর অধিনায়ক মো: নাইমুল হক।

এ ব্যাপারে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহাম্মদ সঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, এটা কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নয়। মুলত: পালং হাসপাতালের এক রোগীর অপারেশনকৃত পায়ের বিচ্ছিন্ন অংশ। এনিয়ে শংকার কোন কারণ নেই।