ঢাকা, শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১

অপহরণ করে মুক্তিপণ চাওয়ার অভিযোগ: এএসপিসহ ৫ জন কারাগারে

প্রকাশ: ২০২১-০৮-২৫ ২১:৫২:১৫ || আপডেট: ২০২১-০৮-২৫ ২১:৫৪:৪৮

নিউজ ডেস্ক।। মা ও ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ চাওয়ার অভিযোগে দিনাজপুরে আটক পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এএসপিসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার বিকেলে দিনাজপুর আমলী আদালতের (চিরিরবন্দর-৪) বিচারক শিশির কুমার বসু তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এছাড়া আদালত অপহরণের শিকার জহুরা বেগম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করার পর বিচারকের আদেশের ভিত্তিতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

এর আগে মঙ্গলবার প্রথমে রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান, কনস্টেবল আহসানুল হক, তাদের গাড়িচালক হাবিব মিয়াকে এবং পরে যার অভিযোগের ভিত্তিতে মা-ছেলেকে তুলে নেওয়া হয় সেই দিনাজপুর সদর উপজেলার ফসিহ উল আলম পলাশকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, পলাশ চিরিরবন্দর থানার জনৈক লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে রংপুর সিআইডি বরাবর ৫০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক সোমবার রাতে লুৎফরের বাড়ি যান। সেখানে লুৎফরকে না পেয়ে তার স্ত্রী জহুরা বেগম ও ছেলে জাহাঙ্গীরকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যান তারা। দিনাজপুর, সৈয়দপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে মুক্তিপণের জন্য লুৎফরের পরিবারের লোকজনকে ফোন করে ১৫ লাখ টাকা দাবি করেন তারা। এ ঘটনা পরিবারের লোকজন পুলিশকে জানায়। মঙ্গলবার বিকেলে ভুক্তভোগীর পরিবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তারা প্রথমে রানীরবন্দর আসতে বলে। রানীরবন্দর এলে তাদের দশমাইল আসতে বলা হয়। আবার দশ মাইল এলে বাশেরহাট আসতে বলা হয়।

চিরিরবন্দর থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার জানান, আগে থেকে ওত পেতে থাকা দিনাজপুর জেলা পুলিশ ও দিনাজপুর সিআইডি মিলে বাশেরহাট থেকে এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান, কনস্টেবল আহসানুল হক ও তাদের গাড়িচালক হাবিব মিয়াকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে লুৎফর রহমানের ভাই খলিলুর রহমান চিরিরবন্দর থানায় ৬ থেকে ৭ জনের নামে অভিযোগ করেন। বুধবার অভিযোগটি মামলা আকারে গ্রহণ করা হয়।