ঢাকা, শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১

উখিয়া ও টেকনাফে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে কোস্ট ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা

প্রকাশ: ২০২১-০৮-০১ ২৩:১৮:২৭ || আপডেট: ২০২১-০৮-০১ ২৩:১৮:২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গত ২৬ জুলাই হতে টানা বর্ষণের ফলে কক্সবাজারের অন্যান্য উপজেলার পাশাপাশি উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে অনেকের হাঁস-মুরগিসহ মূল্যবান অনেক সম্পদ। চলমান লকডাউনে স্থানীয় অধিবাসীরা হয়ে পড়েছেন কর্মহীন। এমতাবস্থায়, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনসাধারণের পাশে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোস্ট ফাউন্ডেশন।

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে ১৬১ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে ১৫৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এ সহায়তা পেয়েছে।

প্রতিটি পরিবারকে ৬কেজি চাল, ০২কেজি আলু, ০১কেজি মসুর ডাল, ০১কেজি লবণ, সয়াবিন তেল ১ লিটার এবং ২ কেজি পিঁয়াজ দেওয়া হয়েছে।

খাদ্যদ্রব্য বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন- টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী, ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার নাসরিন পারভিন কবির, ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার মর্জিনা আক্তার, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার রাশেদা বেগম এবং ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার নুরুল আমিন।

এ সময় কোস্ট ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সমন্বয়কারী মো. ইউনুস, প্রকল্প সমন্বয়কারী তাহরিমা আফরোজ টুম্পা এবং কোস্ট একর্ড প্রকল্পের কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

জার্মানভিত্তিক দাতা সংস্থা মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনাল-এর অর্থ সহায়তায় কোস্ট ফাউন্ডেশন ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর হতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত উখিয়া উপজেলার পালংখালী এবং টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের স্থানীয় একহাজার পরিবারের স্থায়িত্বশীল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নের লক্ষ্যে একর্ড প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় এবং পাহাড়ধসের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন ৩২০টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে কোস্ট ফাউন্ডেশন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণের পরামর্শ মোতাবেক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, “যে কোন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোটাই মানবতার পরিচয় বহন করে। এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য কোস্ট ফাউন্ডেশনকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”