ঢাকা, শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১

পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই জানানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ২০২১-০৬-৩০ ২০:২৪:৫৩ || আপডেট: ২০২১-০৬-৩০ ২০:২৬:০৭

ডেস্ক রিপোর্ট।। করোনার কারণে পিছিয়ে পরা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে তা খুব শিগগিরই জানানো হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকট চলছে। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সব ক্ষেত্রে যেভাবে সিদ্ধান্ত হচ্ছে; একইভাবে শিক্ষাক্ষেত্রেও সিদ্ধান্ত হবে। এটি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। অবশ্যই আমরা প্রজ্ঞা, জ্ঞানের সব কিছু প্রয়োগ করে সিদ্ধান্ত নেব। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শ গ্রহণ করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

বুধবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও গণফোরামের সদস্যদের কেউ কেউ স্কুল খুলে দেওয়ার দাবি করেন। অবশ্য কেউ কেউ আবার বিরোধিতাও করেছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বহু দেশ এমনকি উন্নত বিশ্বের দেশগুলোও পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করেছে। কোন কোন দেশ ‘প্রেডিকটেড গ্রেড’ দিচ্ছে। ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। এইচএসসির পরীক্ষা শুরুর দুই-তিন দিন আগে বাধ্য হয়ে বন্ধ করতে হয়েছে। পরে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ফলাফল দেওয়া হয়েছে। বিচার বিশ্লেষণ ও টালি করে ফলাফল দেওয়া হয়েছে। দুই-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া পরীক্ষা হলে শিক্ষার্থীদের ফলাফল এ রকমই হতো। কাজেই কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন সারাবিশ্বেই ব্যত্যয় ঘটেছে। আমাদের এখানেও কিছুটা ঘটেছে। কিন্তু তাদের যাতে দীর্ঘমেয়াদে কোন ক্ষতি না হয়ে যায় সেজন্য সর্বোচ্চ নজর রাখা হচ্ছে।

বিকল্প সময়ে সরকার দ্রুত সময়ে পাঠদান শুরু করেছে দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যত দ্রুত এখানে পাঠদান শুরু হয়েছে, বিশ্বের আর কোথাও এত দ্রুত শুরু করেনি। যে কারণে বিশ্বে শিক্ষা নিয়ে কোন সভা হলে বাংলাদেশের দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনলাইনে এবং টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদানের বিষয়টির প্রশংসা করা হয়। এ সময় সংসদ টেলিভিশন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশি-আন্তর্জাতিক নানা ধরনের জরিপ বলছে ৪৫ থেকে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন বা টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান গ্রহণ করতে পারছে। সর্বনিম্নটা ধরে নিয়ে আমরা এই হার বাড়াতে অ্যাসাইনমেন্ট পদ্ধতিতে গেছি। এতে ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।