ঢাকা, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১

লকডাউনে উখিয়ায় এক ইয়াবাকারবারি রোহিঙ্গার ছেলের খতনা অনুষ্ঠানে ৫ হাজার লোকের আয়োজন

প্রকাশ: ২০২১-০৬-০৮ ০৯:৫৩:৫৬ || আপডেট: ২০২১-০৬-০৮ ০৯:৫৩:৫৬

 

বার্তা পরিবেশক:

পরিবার-পরিজন নিয়ে পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে এক কাপড়ে পালিয়ে এসে উখিয়া উপজেলার পূর্বডিগলিয়াপালং (চিতলী মোরা) নামক স্থানে আশ্রয় নেয় রোহিঙ্গা হাকিম আলী। কিছু দিন যেতে না যেতে জড়িয়ে ইয়াবা ব্যবসায়। বর্তমানে কোটি টাকার মালিক বনে গেছে সে। যার প্রেক্ষিতে মানুষকে মানুষ মনে করেনা, কথায় কথায় প্রশাসনের ক্ষমতা দেখায়। এই করোনা লকডাউনে মানুষ যেখানে ঘরবন্ধি অবস্থায় রয়েছে। ঠিক সেই মুহুর্তে মঙ্গলবার ছেলের খতনা অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ৫ হাজারের লোকের ভুরিভোজের আয়োজন করেছে। যা প্রস্তুতি হিসেবে সোমবার দিবাগত রাত থেকে আতসবাজিতে গ্রামের লোকজনের রাতের ঘুম-হারাম হয়ে গেছে৷

মঙ্গলবার সকাল থেকে চলবে ভুরিভোজ।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ সারাদেশে লকডাউন পাশাপাশি উখিয়ার রাজাপালং ৪টি ওয়ার্ডে ঘোষণা করা হয়েছে রেডজোন। কিন্তু একজন রোহিঙ্গা হয়ে এসব নির্দেশনা মানছেনা। তার এতো ক্ষমতার জোর কোথায়? তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে সাধারণ জনগণ।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, এদেশে আশ্রয়ের সুযোগে স্থানীয় এক গৃহবধুর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে হাকিম আলী। ওই নারীর স্বামী পাকিস্তান থাকার সুবাধে তাকে বিয়ে করে। অথচ মিয়ানমার থেকে চলে আসার সময় তার ১ স্ত্রী ও ৩টি সন্তান ছিল৷ পরবর্তীতে তাকে তাড়িয়ে দিলে ওই রোহিঙ্গা নারী স্থানীয় আরেকজন ছেলেকে বিয়ে করে। কিন্তু তার কাছে হাকিম আলীর ৩টি সন্তান রয়েছে। তৎমধ্যে বড় ছেলে পুতিয়া কিছু আগে রেজু আমতলী বিজিবির হাতে দেড় লাখ ইয়াবা আটক হয়ে জেল হাজতে রয়েছে। এই ধরনের পূর্বডিগলিয়াপালং একডজন যুবক তার ইয়াবা নিয়ে আটক হয়ে দেশের বিভিন্ন জেলে রয়েছে। এতো বড় ইয়াবা গডফাদারের পাশাপাশি একজন রোহিঙ্গা হওয়ার পরেও স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় সে দেদারছে ইয়াবা ব্যবসা করে যাচ্ছে। যা প্রশাসন অনেক সময় দেখেও না দেখার মতো করে আছে।

আলাপচারিতায় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হাকিম আলীর সাথে মিয়ানমারের বড় বড় রাখাইন লোকজনের সাথে পরিচয় থাকায় তার এক মুঠোফোনে শত কোটি টাকার ইয়াবা বাকিতে দিয়ে দেয়। যা বিক্রি করে পরে টাকা পরিশোধ করে থাকেন।