ঢাকা, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

উখিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার স্কুল শিক্ষক, এলাকায় উত্তেজনা

প্রকাশ: ২০২১-০৪-৩০ ২১:৪৪:৫৮ || আপডেট: ২০২১-০৪-৩০ ২৩:১০:০০

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের উখিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক শিক্ষকের উপর হামলা করেছে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা। আহত শিক্ষকের নাম মো: আব্দুল্লাহ। তিনি রাজাপালং একেএনসি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মৃত হাজী অলি বকসুর ছেলে। বেশকিছু দিন ধরে ওই এলাকায় সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা ত্রাসের রাজত্ব করছে এমনটি অভিযোগ এলাকাবাসীর।

৩০ এপ্রিল (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে রাজাপালং আলিমুরা ব্র্যাক অফিস এলাকার প্রধান সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষক আব্দুল জানিয়েছেন, রাজাপালং আলিমুরা এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে জিয়াউল হাসান টিপুর নেতৃত্বে আশরাফ মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন, রুবেল, মীর আহমদের ছেলে বলি, আব্দু সালাম মুন্সীর ছেলে আবুল কালাম আজাদসহ ১৫/১৬ জনের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা তার চলন্ত মোটর সাইকেলে পাথর ছুড়ে আহত করে। গাড়ী থামালে তাকে নাকে, মুখে গুরতর আঘাত করে ফুলাজখম করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে।

এখবর ছড়িয়ে পড়লে প্রিয় শিক্ষককে দেখতে অসংখ্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী এলাকাবাসী তাকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় করেছে। এ সময় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে টিপু বাহিনীর অত্যাচার থেকে রক্ষার জন্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট জোর দাবী জানায়। অন্যথায় যে কোন মুহুর্তে খুনের মতো বড় ধরণের ঘটতে পারে এমনটি জানায়।

একই এলাকার হাজী মো: ইসলামের ছেলে মো: আশরাফ আলী বলেন, ওই ছেলে গুলো তার বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে দরজা ভেঙ্গেছে। তাদের নির্যাতনে এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে গেছে।

একই কথা বলেন, জাফর আলমের ছেলে আব্দু শুক্কুর, মো: জয়নাল উদ্দিন, ইউসুফ আলী, হারুন অর রশিদ, ইসমাইল ড্রাইভার।

গত ২৬ এপ্রিল হামলার শিকার আব্দুর রহিম বিন অলি বলেন, ধান মাড়াইয়ের টাকা না দিয়ে অন্যায় ভাবে হামলা করে টিপু বাহিনী। এ ঘটনায় থানায় আইনী সহযোগিতা পাচ্ছে না এমনটি জানিয়েছেন অলি। কারণ টিপুর বন্ধু পরিচয়ে জিয়া, তার বোনের স্বামী পুলিশ অন্যায় ভাবে হস্তক্ষেপ করছে।

তিনি আরো বলেন, টিপুর নেতৃত্বে আল আমিন সোসাইটি নামে একটি ৪০/৫০ জনের সংগঠন আছে। সে এদের নিয়ে রাজাপালং কেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জিয়াউল হাসান টিপু বলেন, শিক্ষকের উপর হামলার বিষয়টি সত্য নয়। একটি বিশেষ মহল আমার পরিবারের সম্মান হানি করার চেষ্টা করছে।

উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আহাম্মদ সঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ঘটনার বিষয়ে ফোনে শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।