ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২

বালুখালী ও কুতুপালং বাজার নিলাম নিয়ে নানান প্রশ্ন, তদন্তের দাবী

প্রকাশ: ২০২১-০৩-২২ ১৮:১৬:৩৫ || আপডেট: ২০২১-০৩-২২ ১৮:১৬:৩৫

 

গফুর মিয়া চৌধুরী, উখিয়া:
কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী বাজার ও কুতুপালং বাজার নিলাম ডাক নিয়ে নানান প্রশ্নের দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত চড়া মুল্যে বাজার দুইটি নিলাম ডাক হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, বাংলা – ১৪২৭ সনের জন্য উখিয়া উপজেলায় ছোট বড় ১০ টি হাট-বাজার নিলাম হয়। প্রত্যেক বাজারের আয়তন ও বাণিজ্যিক পরিধি অনুযায়ী বাজারের সরকারী নিলাম ডাক মুল্য নির্ধারিত রয়েছে। সেক্ষেত্রে বালুখালী বাজার ও কুতুপালং বাজার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেনি। এ বাজার দুইটিতে চরম অসংগতি ধরা পড়েছে। যা জনগণের উপর চরম অবিচার বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে সরকারী সিডিউলে রয়েছে বালুখালী বাজার নিলাম ডাক মুল্য -৮১ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। কুতুপালং বাজার সরকারী নিলাম ডাক মুল্য – ৪৭ লাখ ৮১ হাজার ১৬৫ টাকা। বাজার দুইটি ডাক হয়েছে অবিশ্বাস্য মুল্যে। বালুখালী বাজার ডাক হয়- ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। আর কুতুপালং বাজার ডাক হয় – ১ কোটি ৪১ টাকা। সরকারী মুল্যেকে পাশ কাটিয়ে এত বেশি চড়া দামে বাজার নিলাম নেওয়ার হেতু কি? এতে কি বুঝা যায়? জনগণ প্রশ্ন এ নিলাম ডাক কারী এরা কারা? উদ্দেশ্য কি এদের? তাদের আয়ের উৎস কি? তারা আসলে বাজার ডাক ব্যবসা নিয়ে কি জায়েজ করতে চায়?

স্হানীয় সচেতন মহল মনে করেন এ চিহ্নিত বাজার নিলাম ডাক কারীদের ব্যাপারে গোয়েন্দা তথ্যের ভিক্তিতে ব্যবস্হা গ্রহণ করা অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে।

অভিযোগ উঠেছে,বালুখালী বাজার নিলাম ডাক কারী আবদুল হকের পুত্র কলিম উল্লাহ একজন এনজিও কর্মী হয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা দিয়ে বাজার ডাক নিল কি করে? বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবী উঠেছে।

কুতুপালং বাজার নিলাম ডাক নিয়ে ও নানান রহস্য ঘনীভুত হচ্ছে। কুতুপালং বাজার সরকারী সিডিউল মুল্যকে বৃদ্ধাআঙ্গুল দেখি ডাক হয়েছে ১কোটি ৪১ লক্ষ টাকা। এতে করে স্হানীয় খেটে খাওয়া কৃষক জনগণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপর হাসিলের বোঝা চরম পর্যায়ে যাবে। এসব অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের নামে জুলুম অবিচার থেকে মানুষ পরিত্রাণ চাই। বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহল সরকারের উধ্বর্তন কতৃর্পক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।