ঢাকা, শুক্রবার, ২০ মে ২০২২

বঙ্গবন্ধু’র ৭ মার্চের ভাষণ প্রত্যেকের মনেপ্রাণে লালন করা উচিত

প্রকাশ: ২০২১-০৩-০৭ ১৮:০২:২৪ || আপডেট: ২০২১-০৩-০৭ ১৮:১২:০০

উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
কক্সবাজারের উখিয়ায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ’ দিবস পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রোববার (৭ মার্চ) সকাল ১১টায় উখিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে দিবসটির তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উখিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিমুল এহসান খান, উপজেলা প.প কর্মকর্তা ডাঃ রঞ্জন বড়ুয়া রাজন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ তালুকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন্নেছা বেবি, উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহাম্মদ সনজুর মোরশেদ, উপজেলা নির্বাচন অফিসার ইরফান উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পরিমল বড়ুয়া, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন, উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন সিরাজী, উখিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সেদিন পুরো বাঙালি জাতিকে একত্রিত করেছিলেন। পাশাপাশি বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের জন্য একটি বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন। ১৮ মিনিটের অলিখিত ভাষণ বিশ্বে এখনও বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। বঙ্গবন্ধু’র এই ভাষণ আমাদের প্রত্যেকের মনেপ্রাণে লালন করা উচিত।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বদরুল আলম, উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিক আজাদ, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আল আমিন বিশ্বাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষক মেধু কুমার বড়ুয়া।

অনুষ্ঠান শেষে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে পহেলা মার্চ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এর আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে সকাল ১০টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে সন্ধ্যায় উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।