ঢাকা, বুধবার, ২৫ মে ২০২২

কক্সবাজারে শ্বশুর বাড়িতে নিহত জামাই’র লাশ প্রায় দু’মাস পর উত্তোলন

প্রকাশ: ২০২০-১২-২১ ২২:০২:২৮ || আপডেট: ২০২০-১২-২১ ২২:০২:২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফকিরাঘোনা এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে জামাই খুনের ঘটনায় দাফনকৃত দেলোয়ারের লাশ প্রায় দু’মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন হয়েছে।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর) রামুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সরওয়ার উদ্দিন ও জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইডি) এর ওসি মনির হোসেনের উপস্থিতিতে কলাতলীর শহরতলী কবর স্থান থেকে মৃত দেলোয়ারের লাশ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।

শহরের কলাতলীর শহরতলীতে মৃত কালা মিয়ার পুত্র দেলোয়ার হোসেন গত ২৯ অক্টোবর মিঠাছড়িতে তার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরদিন ৩০ অক্টোবর রাতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন কর্তৃক তাকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠে। অভিযোগে উল্লেখ করা হত্যার পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে দেলোয়ার আত্মহত্যা করেছে বলে তার বাপের বাড়িতে খবর দেয়।

নিহত দেলোয়ার হোসেনের ছোট ভাই সরওয়ার কামাল জানান, ‘‘মৃত্যুর খবর পেয়ে দেলোয়ারের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে দেখি লাশ রান্না ঘরে পড়ে আছে। পরে লাশ সেখান থেকে উদ্ধার করে কলাতলীতে এনে দাফন করি। ঘটনার পরে নিহত দেলোয়ারের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে পরদিন তার রক্তাক্ত জামা কাপড় পেয়ে সন্দেহ জাগে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় সরওয়ার কামাল বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রামু-১ এ হত্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং- সিআর-২৬২/২০২০। আদালত এই মামলা তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেন। দীর্ঘ দেড় মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে অবশেষে ২১ ডিসেম্বর আদালতের নির্দেশেই মৃত দেলোয়ার হোসেনের লাশ মধ্য কলাতলীর কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।