ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২

হলদিয়াপালং ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় তিন সাংবাদিক

প্রকাশ: ২০২০-০৯-২২ ২৩:৪৩:১৪ || আপডেট: ২০২০-০৯-২৩ ০০:০৭:৩১

শরীফ আজাদ : কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নানান জল্পনা-কল্পনা। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, সামাজিক অনুষ্ঠান ও নানান উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডে উপস্থিত থেকে সাধারণ ভোটাদের নজরে আসার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন তিন সাংবাদিক। অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চেয়ে এবার এই ইউনিয়নে ভিন্ন চিত্র হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। তাদের ধারণা তরুণ প্রার্থীরা প্রাধান্য পাবে আসন্ন এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে।

জানা যায়, উখিয়া হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ২৪টি গ্রামে মোট ভোটার সংখ্যা ২৯ হাজার ৫শ। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে গ্রামে-গঞ্জের চায়ের দোকানগুলো সরগরম হতে শুরু করেছে। কারা হচ্ছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রাথী এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। সাধারণ ভোটাররা বলছেন দীর্ঘদিন ধরে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যোগ্য জনপ্রতিনিধি থেকে বঞ্চিত। যার ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধির খামখেয়ালীপনায় অবহেলিত এ জনপদের মানুষ। নির্বাচন আসলেই নানান প্রতিশ্রুতি দেওয়া ও নির্বাচন পরবর্তী ভুলে যাওয়া একটি রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। তাদের আশপাশে থাকা কিছু সুবিধাভোগী ছাড়া আর কারো ভাগ্যোন্নয়ন হয় না।

সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শুনা যাচ্ছে তারা হচ্ছে, বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ আলম, সাবেক চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মিন্টু, সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনুল হক আমিন, আওয়ামীলীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক চৌধুরীর পুত্র সাংবাদিক ইমরুল কায়েস চৌধুরী, সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী ও সাংবাদিক পলাশ বড়ুয়া।

তরুণ ভোটারা বলছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সরকারের ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানে তরুণ প্রার্থীর বিকল্প নেই। তারা হলদিয়া পালংবাসীর ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে বর্তমান সরকারের কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তাই হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে এক তরুণ প্রার্থীকে চায়।

মধুঘোনা, বডুয়াপাড়া, পাগলিরবিল, ঘোনারপাড়া, উত্তর বড়বিলসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে জানা যায়, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক চৌধুরীর পুত্র ইমরুল কায়েস চৌধুরীকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।

অন্যদিকে আওয়ামীল নেতা ও সাংবাদিক রাসেল চৌধুরীর সমর্থকরা তার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। এছাড়াও তরুণ সাংবাদিক পলাশ বড়ুয়া দীর্ঘদিন যাবৎ সুবিধা বঞ্চিত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে মাঠে ময়দানে কাজ করে যাচ্ছে।

পাগলিরবিল এলাকার মাবিয়া খাতুন ও হতদরিদ্র রহিম উল্লাহ বলেন, চেয়ারম্যান আসে-যায়, কিন্তু আমাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না।

নির্বাচনের প্রার্থীতার বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক পলাশ বড়ুয়া বলেন, সুবিধা বঞ্চিত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কাংখিত উন্নয়নের লক্ষ্যে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হবো।

সম্ভাব্য প্রার্থী সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী বলেন, আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করি। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে আসছি। জনগণ চাইলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করবো।

সাংবাদিক ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মানুষের নাড়ীর সাথে আমার সম্পর্ক। আমার পরিবার আজীবন হলদিয়াপালং তথা উখিয়া উপজেলার মানুষের সেবা করে আসছে। মানুষের সুখে-দুখে দূর্যোগ ও ক্রান্তিকালিন সময়ে আমি ও আমার পরিবার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। নির্বাচন করি আর না করি আমি ও আমার পরিবার হলদিয়াপালংবাসীর পাশে আছি এবং থাকবো।