ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট ২০২২

শ্রমিকদের টিআইএন ছাড়াই সঞ্চয়পত্র দেওয়া হবে

প্রকাশ: ২০২০-০৯-১৪ ০০:১১:২৪ || আপডেট: ২০২০-০৯-১৪ ০০:১৫:৪২

সিএসবি২৪ ডেস্ক:
এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলেই কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অনেক শ্রমিকের টিআইএন নম্বর নেই। তাই পাটকল শ্রমিকদের টিআইএন ছাড়াই সঞ্চয়পত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র।

দেশের ২৫টি পাটকলের শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধার আওতায় পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত সপ্তাহে অর্থ বিভাগে এ সংক্রান্ত বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শ্রমিকরা এই টাকার অর্ধেক পাবেন নগদে, বাকি অর্ধেক পাবেন তিন বছর মেয়াদি তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে।

জানা গেছে, ২৫টি পাটকলের মধ্যে ইতোমধ্যে করিম জুটমিলের স্থায়ী শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করতে ২২৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এই বরাদ্দে ২ হাজার ৩৭১ জন শ্রমিক তাদের পাওনা টাকা পাবেন। এর মধ্যে ২ হাজার ১৮২ শ্রমিকের জনপ্রতি পাওনা ২ লাখ টাকার বেশি।

বরাদ্দপত্রে বলা হয়েছে, শ্রমিকদের টাকা ৫০ শতাংশ নগদে এবং বাকিটা সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে দেওয়া হবে। যার মাঝে মাত্র ১৮৯ জন শ্রমিকের পাওনা ২ লাখ টাকার মধ্যে। তারা টাকা পাবেন এককালীন তথা নগদ। বাকি শ্রমিকরা তাদের পাওনা টাকার অর্ধেক পাবেন মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে তিন বছর মেয়াদি তিন মাস অন্তর। যা কিনতে হবে শুধু সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে।

যদিও গত সপ্তাহে অর্থ বিভাগে অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত বৈঠকে এসব প্রশ্নের সুস্পষ্ট জবাব মেলেনি। ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান।

বৈঠকে সূত্র জানায়, আলোচনায় বেশ কয়েকটি বিষয় উঠে এসেছে। যেমন অনেক শ্রমিকের টিআইএন নম্বর পাওয়া যাবে না। আবার অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), এমনকি ব্যাংক হিসাবও নেই। নতুন করে এগুলো করাও সময়সাপেক্ষ। ফলে এ সমস্যাগুলোর সমাধান কীভাবে হবে তা এখনো ঠিক করা যায়নি। এ ছাড়া বৈঠকে আরও কিছু বিষয় উত্থাপিত হয়েছে। যেমন- তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সীমা রয়েছে। ফলে এ সীমার বাইরে যারা থাকবেন, তাদের নামে সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা যাবে না।

আবার সোনালী ব্যাংকের কোনো কোনো শাখায় সঞ্চয়পত্র খোলার অনুমতি নেই। ফলে এমন সমস্যা সমাধানে সোনালী ব্যাংকের অন্য কোনো শাখার পাসওয়ার্ড দিয়ে শ্রমিকদের নামে এই সঞ্চয়পত্র খোলার চিন্তা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে টিআইএন থাকার বিষয়টিও শিথিল করা হতে পারে।- আমাদের সময়।