ঢাকা, শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২

উখিয়ায় প্রবাসিদের টাকা আত্মসাৎ করে মোস্তাকের বিরুদ্ধে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

প্রকাশ: ২০২০-০৯-১২ ২১:৪১:৫২ || আপডেট: ২০২০-০৯-১২ ২২:৪৯:২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
কক্সবাজারের উখিয়ায় পালংখালী ইউনিয়নে জনৈক মোস্তাক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রবাসীদের ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সৌদি আরবের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ঘাম ঝরানো টাকা নিয়ে নিজের নামে জমি ক্রয় করে অভিযুক্ত মোস্তাক বিলাস বহুল ভবন নির্মাণ করছে।

এ ব্যাপারে থাইংখালীস্থ সৌদি প্রবাসীরা উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগে প্রকাশ, সৌদি আরবের শিল্পনগরী জেদ্দায় উখিয়ার থাইংখালীস্থ সৌদি প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত “সাউথ ওশান প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা”র সদস্য থাইংখালীর রহমতের বিল এলাকার ছৈয়দ আলম আরকানীর পুত্র সাবেক প্রবাসী সদস্য মোস্তাক আহমদ গত ৯ মাস পূর্বে দেশে বেড়াতে আসে।

টেকনাফ-কক্সবাজার পাশে সংগঠনের সদস্যরা বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে ২০ শতক জমি নেয়ার জন্য উক্ত মোস্তাক কে দায়িত্ব দেয়। সে ক্যাশিয়ারের দায়িত্বে থাকার সুবাধে তার কাছে ১০ লক্ষ টাকা আমানত ছিল। সংগঠনের নামে জমি রেজিষ্ট্রি করার জন্য ১০ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। কিন্তু দেশে এসেই প্রতারণা আশ্রয় নেয় মোস্তাক।

প্রবাসীদের ঘাম ঝরানো টাকা নিয়ে হাফেজ শাহ আলম এর কাছ থেকে নিজের নামে জমি ক্রয় করে বিলাস বহুল স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করলে আসল ঘটনা বের হয়ে আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোস্তাক আহমদ প্রবাসীদের আমানতের টাকায় জমি কিনে পুরোদমে বিলাস বহুল ভবন নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে। সে দেশের আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে জমি ভরাট করে রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে।

এদিকে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কষ্টার্জিত টাকা আত্মসাৎ করে নিজের নামে জমি ক্রয়ের বিষয়ে প্রবাসী রা তার সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি সুরাহা করার জন্য ফোনে শতবার চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হয়।

এদিকে প্রবাসীদের স্বজনরা আত্মসাতকৃত টাকা ফেরত দেয়ার বিষয়ে কথা বললে মোস্তাক তাদের সাথে উল্টো অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।

এ ঘটনায় প্রবাসী সদস্যরা টাকা আত্মসাতের প্রতিকার চেয়ে, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে গত ৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উখিয়া থানার উপ-পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা ছিম্পু বড়ুয়া বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে মনে হয়েছে মোস্তাক থাইংখালীতে যে জায়গাটি ক্রয় করেছে সেটি তাদের প্রবাসি সংগঠনের টাকায় ক্রয় রা৷ আমি ইতিমধ্যে সংগঠনটি সভাপতি নুর মোহাম্মদ নুর এর সাথে কথা বলেছি সেও বিষয়টি নিয়ে সৌদি আরবে একাধিবার বৈঠকের কথা স্বীকার করেছে।