ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২

নওগাঁয় স্বল্প বেতনে প্লাষ্টিক কারখানায় শিশুশ্রম

প্রকাশ: ২০২০-০৯-১২ ১১:৫০:২৭ || আপডেট: ২০২০-০৯-১২ ১১:৫৫:০৬

মোঃ হাবিবুর রহমান, নওগাঁ:

নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভাঁরশো ইউনিয়নের বৃহত্তম চৌবাড়িয়া হাটের মের্সাস ভাই ভাই প্লাষ্টিক কারখানায় চলছে শিশুশ্রম ও শ্রমিকদের স্বল্প বেতনে পারিশ্রমিক দিয়ে প্লাষ্টিক কারখানা যেন দেখার কেউ নেই।

প্লাষ্টিক কারখানাতে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এ কাজে স্বল্প বেতনের পারিশ্রমিকে শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করে একদিকে যেমন মজুরি বৈষম্যের সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে শ্রম আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চালাচ্ছেন প্লাষ্টিক কারখানা।

মজার ব্যাপার হলো, প্লাষ্টিক কারখানার নেই লাইসেন্সের মেদ,দেওয়া নাই সরকারী ভ্যাট ও পরিবেশ অধিদপ্তরে ছাড়পত্র, কারখানার মালিক শ্রম মন্ত্রণালয়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে প্লাষ্টিক কারখানা।

সরেজমিনে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চৌবাড়িয়া ভাই ভাই প্লাষ্টিক কারখানায় গেলে শিশু শ্রমিক রুবেল, করিম আলী,আকলেমা বিবি, মাবিয়া বিবি, মুনছুর হোসেন, জানান স্বপ্ল বেতনে জীবিকা নিরবাহের জন্য তারা কারখানায় কাজ করছে।

সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ায় প্লাষ্টিক কারখানার ম্যানেজার ও মালিক শাহ্জালাল মন্ডল, পাঁচজন শিশু শ্রমিক কে কৌশলে তাড়িয়ে দেন, এর ফাঁকে একজন শিশু শ্রমিক ক্যামেরাবন্দি হয়।

এ ব্যাপারে প্লাষ্টিক কারখানার ম্যানেজার আরব আলী এবং মালিক শাহ্জালাল বলেন, শিশুরা কাজ করছে তাতে কী হয়েছে। তারা কি খুব কষ্টদায়ক কোনো কাজে নিয়োজিত? গরিব মানুষ এখানে কাজ করার বিনিময়ে যতটুকু আয় করছে, তাতে তাদের পরিবারের ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রে সহযোগিতাই তো হচ্ছে।

কারখানার বিষয়টি নিয়ে ভাঁরশো ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফাফিজুর রহমান (সুমন) জানান, কোরানাভাইরাস কালিন যোতষ্ট পরিমান মাস্ক ও হাতের গোল্ব দেওয়া হয়েছে পরিবেশের ভারসাম্ম রক্ষার জন্য।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম হোসেন জানান, এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ আমাদের নিকট আসেনি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে, বিশেষ করে শিশু শ্রম বিষয়ে।

অপরদিকে নওগাঁ জেলার কল কারখানা পরিদর্শন কর্মকতার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।