ঢাকা, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২

প্রদীপসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার মামলা দায়ের

প্রকাশ: ২০২০-০৯-০৮ ১৪:১৯:০১ || আপডেট: ২০২০-০৯-০৮ ১৬:৪০:০৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মধ্যে ২৬ জনই পুলিশ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-৪ এ ফৌজদারি দরখাস্তটি দায়ের করেন কক্সবাজার শহরের মধ্যম কুতুবদিয়া পাড়ার মরহুম ডাঃ মোঃ ইছহাক খানের পুত্র ও নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান।

ফৌজদারি দরখাস্ত আমলে নিয়ে উক্ত আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ্ তা তদন্তের জন্য নিদের্শ দেন।

মামলায় যাদের আসামী করা হয়েছে তারা হলো-টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) এ.বি.এম. এস দোহা, এসআই মোঃ কামরুজ্জামান, ইন্সপেক্টর (নিঃ) রফিকুল ইসলাম খান, কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই প্রদীপ, এসআই (নিঃ) মোঃ সাইফুল করিম, টেকনাফ মডেল থানার এসআই মশিউর রহমান, এসআই মনছুর মিয়া, এসআই ছাব্বির, এসআই সুজিত চন্দ্র দে, এসআই মোঃ বাবুল, এসআই মোঃ জামাল উল্লাহ, এসআই মোঃ নাজির উদ্দিন, এসআই আমির হোসেন, এসআই মিসকাত উদ্দিন, এসআই সনজিত দত্ত, কনষ্টেবল নাজমুল হাসান, সাগর দেব, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাশেদুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, মংচিং প্রæ চাকমা, আবদুল শুক্কুর, হেলাল উদ্দিন, মোঃ মহিউদ্দিন ও সেকান্দর।

এছাড়াও আসামী করা হয়েছে টেকনাফের দক্ষিণ হৃীলা ফুলের ডেইল গ্রামের মৃত আবুল খায়েরের পুত্র মোঃ জহিরুল ইসলাম, হোয়াইক্যং পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার হাজী আবুল কাশেমের পুত্র মফিজ আহমদ, হৃীলা দরগাহপাড়ার মৃত তাজর মুল্লুকের পুত্র আবুল কালাম প্রকাশ আলম এবং হোয়াইক্যং দক্ষিণ কাঞ্জর পাড়ার মৌং সিরাজুল হকের পুত্র নুরুল আমিনকে।

সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের দায়েরকৃত ফৌজদারি দরখাস্তে টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ পুলিশ সদস্য ও তাদের দালালদের মাধ্যমে পৃথক চার দফা ঘটনায় নানাভাবে শারীরিক নির্যাতন, হত্যাচেষ্টা, মিথ্যা মামলা দায়েরসহ নানা অভিযোগ আনেন।

বাদিপক্ষে আইনজীবি হিসেবে ছিলেন-কক্সবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এভভোকেট আবুল কালাম সিদ্দিকী, সিনিয়র আইনজীবী মো. মোস্তফা, মো: আবদুল মন্নান, ফখরুল ইসলাম গুন্দু, রেজাউল করিম রেজা, এম.এম ইমরুল শরীফ।

উল্লেখ্য-চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদকসহ নানা অভিযোগে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় দীর্ঘ ১১ মাস ৫ দিন পর গত ২৭ আগস্ট কারামুক্ত হন নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদ।