ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, পুলিশসহ দুইজনের সাজা

প্রকাশ: ২০২০-০৯-০১ ২১:১২:৩৬ || আপডেট: ২০২০-০৯-০১ ২১:১৬:২৮

সিএসবি২৪ রিপোর্ট ॥ পকেটে ইয়াবা দিয়ে আটক করার চেষ্টা করায় এক পুলিশ কনস্টেবল এবং সোর্সকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুপন কুমার দাশ এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হল-মির্জাপুরের বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল রাসেলুজ্জামান ওরফে রাসেল এবং বাঁশতৈল নয়াপাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে ও পুলিশের সোর্স রাসেল মিয়া।

তাদের মধ্যে রাসেলুজ্জামানকে এক বছর ছয় মাসের এবং রাসেল মিয়াকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ সময় অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রিয়াজুল ইসলাম, কনস্টেবল গোপাল চন্দ্র সাহা, তোজাম্মেল হক ও আব্দুল হালিম এবং সোর্স আল আমিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সূত্রে জানা গেছে, কনস্টেবল রাসেলসহ মির্জাপুর থানার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ছয় পুলিশ সদস্য এবং দুই সোর্স ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর পাশের সখীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় যান ।

তারা ওই এলাকার বজলুর রহমান নামে এক দিনমজুরের পকেটে ২৫ পিচ ইয়াবা দিয়ে জোর করে অটোরিকশায় তোলেন। এ সময় বজলুর রহমানের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে অটোরিকশাটি আটক করেন। বজলুরের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে উপস্থিত লোকজন পুলিশ ও সোর্সদের দেহ তল্লাশি করে কিছু ইয়াবা পান। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষুদ্ধ হয়ে পুলিশ ও সোর্সদের পিটুনি দিয়ে একটি দোকানে আটকে রাখেন।

খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যায়। তবে তার আগেই তিনজন কৌশলে পালিয়ে যান। পরে বাকি চারজনকে পুলিশ সখীপুর থানায় নিয়ে যায়। সখীপুর থানার সেই সময়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আয়নুল হক বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে জি আর ২১৭/১৯ মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে সখীপুর থানার সেই সময়ের এসআই ওমর ফারুক গত ২ জানুয়ারি আদালতে পাঁচ পুলিশ সদস্য ও দুই সোর্সের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

আদালত মামলার আটজন সাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ ও নথিপত্র বিশ্লেষণ শেষে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় এ রায় দেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয়নি, তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।