ঢাকা, রোববার, ২৬ জুন ২০২২

বিসিকের মূল ফটকেই বিশাল গর্তে জমে আছে পানি ও কাদা

প্রকাশ: ২০২০-০৮-২২ ১৭:৩৪:৪৫ || আপডেট: ২০২০-০৮-২২ ১৭:৩৫:২২

ইসলাম মাহমুদ:
কক্সবাজারে বিসিকের মূল ফটকেই বিশাল বিশাল গর্তে জমে আছে পানি ও কাদা। বড় বড় গাড়ি পণ্য আনা-নেওয়াতে ভেতরে ঢুকতে পারছে না। রাস্তার পাশে যত্রতত্র মালামাল রাখার ফলে সমস্যায় রয়েছেন উদ্যোক্তারা। ভেতরের রাস্তায়ও খানাখন্দে ভরা। এছাড়া শিল্পনগরীর পুরো এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কলকারখানার বর্জ্য-আবর্জনা। নেই কোনো ওয়েস্ট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম। যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হচ্ছে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতিকর বর্জ্যও।

জানা গেছে, বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) শিল্পনগর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। প্লট বরাদ্দ শুরু হয় ১৯৮০ সালে। সে সময়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত এখানকার ৮৭টি প্লটের মধ্যে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে মাত্র ৩৯টিতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরো এলাকায় নেই যথাযথ ড্রেনেজ ব্যবস্থা। বিসিকের শুরুতে ড্রেনেজ ব্যবস্থায় করা হলেও ভুল নকশার কারণে তা কার্যকর হচ্ছে না। ড্রেনের সামনের মুখ বন্ধ থাকায় পানি চলাচল করতে পারে না। শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশে। ফলে পরিবেশে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। এছাড়া একটু বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয় বিসিক এলাকায়। ব্যাহত হয় উৎপাদন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী বলেন, বর্জ্যগুলো নিজ দায়িত্বে পুড়িয়ে ফেলতে হয়। সেগুলো ফেলার মতো জায়গাও নেই। পানি নিষ্কাশনের পথ তো নেই-ই। বর্ষা মৌসুমে গোটা বিসিক শিল্প নগরী জলাবদ্ধ থাকে।

ফ্লাউয়ার মিলের এক শ্রমিক জানান, বর্ষায় রাস্তায় পানি জমে যায়। কেউ নেই এগুলো দেখার। প্রতিবছরই এরকমভাবে কেটে যাচ্ছে। সামনের ড্রেনগুলোতে পানি জমে আছে দিনের পর দিন। তাতে সৃষ্টি হয়েছে মশা আর নানা রোগজীবাণু। বর্ষার পানি রাস্তায় উঠে গেলে চলাচল করা দায় হয়ে পড়ে।

এমন অবস্থার জন্য কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকেই দায়ী করছেন শিল্প উদ্যোক্তারা।