ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

মেজর (অব:) সিনহা হত্যাকান্ডে ওসি’সহ ৯জনকে আসামী করে মামলা রুজু

প্রকাশ: ২০২০-০৮-০৫ ১৩:৫৩:১২ || আপডেট: ২০২০-০৮-০৫ ১৩:৫৩:১২

র‌্যাব’কে তদন্তের নিদের্শ

সিএসবি২৪ রিপোর্ট ॥
কক্সবাজারের টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে।

বুধবার (৫ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নিহত মেজর রাশেদের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় প্রধান আসামী করা হয়েছে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলীকে। মামলার অপরাপর আসামীরা হলো টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার সাহা (৪৮), উপ-পরিদর্শক (নিঃ) নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনষ্টেবল নং-৮৯৪ সাফানুর করিম, কনষ্টেবল নং-৬০৫ কামাল হোসেন, কনষ্টেবল নং-৫২৯ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোস্তফা।

বাদী পক্ষে আইনজীবি হিসেবে ছিলেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা।

বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানাকে এটি হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। সাত দিনের মধ্যে মামলাটি রেকর্ড করার জন্য আদালতকে অবগত করারও আদেশ দেয়া হয়। একই সাথে ওই মামলাটি র‌্যাব ১৫-এর কমান্ডার আজিম আহমেদকে তদন্ত করার নিদের্শও দেন আদালত।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মামলার বাদী নিহত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোঃ রাশেদের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছান।

অপর দিকে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদের মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ে গঠিত ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তদন্তকাজ শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৩১ আগষ্ট) রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া এলাকায় পুলিশ চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোঃ রাশেদ। তাঁর বাড়ি যশোরের বীর হেমায়েত সড়কে। তাঁর বাবা মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ খান অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ছিলেন। ৫১ বিএমএ লং কোর্সের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কমিশন লাভ করেছিলেন সিনহা।

২০১৮ সালে সৈয়দপুর সেনানিবাস থেকে তিনি স্বেচ্ছায় অবসর নেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সেও (এসএসএফ) তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।