ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২

সিঙ্গাপুরে এক মাসের লকডাউন ঘোষণা

প্রকাশ: ২০২০-০৪-০৪ ১৬:০৬:০২ || আপডেট: ২০২০-০৪-০৪ ১৬:০৬:০২

অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এক মাসের লকডাউন ঘোষণা করেছেন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি হেসিং লুং। এ ছাড়া দেশের জনগণের প্রত্যেককেই মাস্ক ব্যবহারের জন্য বলেছেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে লি হেসিং লুং লকডাউনের এ ঘোষণা দেন। জরুরি সেবা ছাড়া স্কুলসহ বেশিরভাগ কর্মস্থল ঘোষণা অনুযায়ী বন্ধ থাকবে।

দেশের জনগণকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না; তবুও ভাইরাসটি অন্যের মধ্যে ছড়ায়। এ সময় আপনারা বাড়িতে থাকবেন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্যই বের হওয়া যাবে। এ ছাড়া কোনো কারণে বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।’

বাড়িতে থাকা অবস্থায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া গাইডলাইন অনুসরণ করতে জনগণকে অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী লি হেসিং লুং। আগামী মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়ে ৮ মে পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে লকডাউন কার্যকর থাকবে। স্কুল বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে অনলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানান লি হেসিং। আগামী বুধবার থেকে এই ক্লাস শুরু হবে।

জাতির উদ্দেশে ভাষণে জনগণকে মাস্ক ব্যবহারে উৎসাহিত করেন লি। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে আগামীকাল রোববার থেকে সার্জিক্যাল মাস্ক বিতরণ করা হবে। অথচ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর দিনগুলোতে সবাইকে মাস্ক না ব্যবহার করতে বলেছিলেন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, শুধুমাত্র আক্রান্ত ব্যক্তিরাই মাস্ক পরতে পারবেন।

কিন্তু বিশ্বব্যাপী যে হারে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে, তার বর্তমান পেক্ষাপট দেখে নিজের আগের বক্তব্য থেকে সরলেন আসলেন প্রধানমন্ত্রী লি হেসিং লুং।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া লকডাউনের আওতামুক্ত থাকছে খাদ্য সরবরাহ, বাজার, সুপারমার্কেট, ক্লিনিক, হাসপাতাল, পরিবহন ও ব্যাংক। সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী তার জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন, দেশে পর্যাপ্ত খাবার রয়েছে। পরবর্তী সময়ের জন্যও পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ থাকবে।

সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাস: আক্রান্ত মোট ১ হাজার ১১৪। মারা গেছেন ৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ২৮২ জন।