ঢাকা, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

টেকনাফে বন্দুক যুদ্ধে নিহত-১ ; বিভিন্ন আইন-শৃংখলা বাহিনীর পোশাকসহ আটক-৩

প্রকাশ: ২০২০-০৩-০৭ ২৩:০৭:৩০ || আপডেট: ২০২০-০৩-০৭ ২৩:০৭:৪৩


হুমায়ূন রশিদ, টেকনাফ::

টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের প্রকাশ্য দিবালোকের অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত এবং ৩জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এসময় অস্ত্রাদি ও বিভিন্ন আইন-শৃংখলা বাহিনীর পোশাকসহ আরো ৩জনকে আটক করা হয়েছে।

৬ মার্চ বিকাল ৩টারদিকে টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) এবিএমএস দোহার নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদর ইউপির হাবিরছড়া মাটিছিড়া পাহাড়ে রোহিঙ্গা ডাকাত জকির গ্রুপের অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযানে যায়। তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলিবর্ষণ করলে ওসি (তদন্ত) দোহাসহ ৩জন আহত হলে পুলিশও পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। কিছুক্ষণ পর ডাকাতদল পাহাড়ের ভেতরে পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ১টি বিদেশী পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলি, ৩টি দেশীয় তৈরি এলজি, ১০ রাউন্ড তাঁজা কার্তুজ, ২৩ রাউন্ড খালি খোসা ও ২ হাজার ২শ পিস ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিরাজুল ইসলামের পুত্র অজি উল্লাহ ডাকাত (৩০) কে উদ্ধার করে।

এরপর নিরাপত্তা ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর পোশাকসহ নয়াপাড়া ক্যাম্পের মৃত আবু তাহেরের পুত্র খুরশেদ আলম (৩৯), জাদিমোরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আবদুর রকিমের পুত্র মোঃ আমিন (২৫) ও টেকনাফ সদরের রাজারছড়ার নজির আহমদের পুত্র সাইফুল ইসলাম (২০) কে আটক করে।

আহত পুলিশ ও গুলিবিদ্ধ ডাকাত সদস্যকে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুলিবিদ্ধ ডাকাত সদস্যকে জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার বিকালে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের অভিযানে এই ঘটনা ঘটে। এসব বিষয় নিশ্চিত করে তিনি আরো বলেন এই ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।