ঢাকা, রোববার, ১৪ আগস্ট ২০২২

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধী শনাক্তে র‌্যাবের ড্রোন, দমণে হেলিকপ্টার ব্যবহার

প্রকাশ: ২০১৯-১০-২৫ ২১:২৬:১২ || আপডেট: ২০১৯-১০-২৫ ২১:২৬:২১

হুমায়ূন রশিদ, টেকনাফ:

রোহিঙ্গা অধ্যূষিত সীমান্ত উপজেলার টেকনাফের পাহাড়ী আস্তানায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাসহ সব অপরাধীদের আস্তানা সনাক্ত করে অভিযানের মাধ্যমে স্বমূলে ধ্বংস করার জন্য আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে র‌্যাবের একটি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ দল পাহাড়ে ড্রোন ব্যবহার করে অপরাধীদের আস্তানা শনাক্তের চেষ্টা চালিয়েছে। এসব অপরাধীদের দমনের প্রয়োজনে র‌্যাবের বিশেষ হেলিকপ্টার অভিযান চালানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে।

জানা যায়, ২৫ অক্টোবর (শুক্রবার) সকাল হতে বিকাল পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া টইংগ্যা পাহাড়সহ বেশ কয়েকটি দুর্গম পাহাড়ে ড্রোন নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষণ অভিযান চালায় র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ একটি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ টিম। এসময় র‌্যাব-১৫ অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই অভিযানে র‌্যাব-১৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর রবিউল হাসান, সিপিএসসি কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান, সিপিএসসি স্কোয়াড কমান্ডার এডিশনাল এসপি বিমান চন্দ্র কর্মকার, সিপিসি-১ কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহতাব ((এক্স,পিপিএম,বিএন), সিপিসি-২ কোম্পানি কমান্ডার এএসপি শাহ আলম প্রমুখ।

এদিকে রোহিঙ্গা শিবির ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ী এলাকাকে ঘিরে সক্রিয় থাকা স্বশস্ত্র রোহিঙ্গা উগ্রপস্থী সংগঠন ও ডাকাত দল মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তার, অপহরণ এবং মুক্তিপণ বাণিজ্য চালিয়ে শরণার্থী ক্যাম্পসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার জন-জীবনে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করেছে। আর এসব অপকর্মের নেপথ্য নায়ক হিসেবে রয়েছে রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার আবদুল হাকিম ও তার লালিত স্বশস্ত্র ডাকাতেরা।

উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ ড্রোন অভিযান শেষে সাংবাদিকদের জানান,উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় রোহিঙ্গা ডাকাত হাকিম বাহিনীসহ বিভিন্ন গ্রুপ সক্রিয় থাকার সংবাদ রয়েছে। তাই এসব অপরাধীদের আস্তানা সনাক্ত করতে প্রাথমিকভাবে এই ড্রোন অভিযান চালানো হল। এই জনপদে শান্তি ফেরাতে প্রয়োজনে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় র‌্যাব হেলিকপ্টারের মাধ্যমে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।