ঢাকা, সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২

হিন্দু-বৌদ্ধরাও সরকারি ভাবে তীর্থ ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছে (ভিডিও)

প্রকাশ: ২০১৯-১০-০৪ ০০:২৪:৫৬ || আপডেট: ২০১৯-১০-০৪ ১৪:৪১:৪২

প্রবারণা উপলক্ষে কক্সবাজারে জি.আর চাউল বিতরণকালে : সুপ্ত ভূষণ


পলাশ বড়ুয়া॥
এবারও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারের ১৫৯টি বৌদ্ধ বিহারের জন্য ৭৯.৫ টন চাউল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে ৫০০ কেজি করে চাউল দিতে জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে কক্সবাজার সদর উপজেলা এবং রামুতে এসব চাউল বিতরণ করা হয়।

এ সময় তিনি বলেছেন, এবার বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টকে ১ কোটি টাকার আর্থিক অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও আগামী ডিসেম্বর থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মতো হিন্দু এবং বৌদ্ধরাও সরকারি ভাবে তীর্থস্থান ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

সুপ্ত ভুষণ বড়ুয়া বলেছেন, ইসলামী ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে সারা দেশের ৪৬৪টি উপজলায় মডেল মসজিদ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিটি ১ কোটি ব্যয়ে ১০০টি মডেল বৌদ্ধ বিহার নির্মিত হবে। তৎমধ্যে কক্সবাজারে নির্মিত হবে ১৫টি। এছাড়াও প্রথম বারের মতো নেপালে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১শ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মডেল বৌদ্ধ বিহার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আশরাফুল আফসার বলেছেন, সরকার সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করেছে। এই দেশটাকে সুন্দর করে সাজাতে আমরা সবাই একত্রিত ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।


তিনি বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। তাছাড়া দূর্গাপুজা এবং প্রবারণা পূর্ণিমা কাছাকাছি সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। তাই দুটিই যেন উৎসবমুখর এবং সফল ভাবে সম্পন্ন করতে পারি সে লক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ট্রাষ্টি এডভোকেট দীপঙ্কর বড়ুয়া পিন্টু তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, এবার প্রবারণা উপলক্ষে কক্সবাজারে মোট ১৫৯টি বিহারের জন্য জি.আর চাউল বরাদ্ধ হয়েছে। তৎমধ্যে কক্সবাজার সদরে-৩১টি, পেকুয়ায়-১টি, টেকনাফ-১৯টি, উখিয়া-৪২টি, রামু-৩৩টি, চকরিয়া-২৫টি, মহেশখালী- ৮টি বিহারের জন্য চাল বরাদ্ধ হয়েছে।


অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম মাহফুজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ শহিদুল ইসলাম, শিক্ষক বোধিমিত্র বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি কক্সবাজার জেলা সভাপতি রবিন্দ্র বিজয় বড়ুয়া, আর.কে.কে কক্সবাজার ব্রাঞ্চের বাবুল বড়ুয়া, অমর বিন্দু বড়ুয়া, বৌদ্ধ যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিপন বড়ুয়া প্রমুখ।