ঢাকা, সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২

নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদে বিদ্যমান সুবিধা বাতিল ও সঙ্কুচিত করার প্রতিবাদে কক্সবাজারে জেইউসি মানববন্ধন

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৪ ২২:২৭:২৩ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৪ ২২:২৭:২৮


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদে সংবাদকর্মীদের গ্র্যাচুয়িটি ও বাড়ি ভাড়া কমিয়ে দেওয়া, আয়কর সুবিধা বাতিলসহ বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিলোপ এবং সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব এর মনগড়া ও ঠুনকো যুক্তিনির্ভর বিবৃতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ঘোষিত বিক্ষোভ-মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার-জেইউসি।

মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদের গেজেট প্রকাশের পর সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব-এর প্রদত্ত বিবৃতিকে অবিবেচনাপ্রসূত ও ঠুনকোযুক্তিনির্ভর হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, সংবাদপত্র মালিকরা সংবাদকর্মীদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানোর প্রয়াস চালিয়েছেন যা দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। মালিক ও সংবাদকর্মীদের মধ্যকার বিরোধের সুযোগ নিয়ে সরকার দু’পক্ষের ন্যায়সংগত অধিকার খর্ব করছে।

কক্সবাজার প্রধান সড়কের বনবিভাগ মোড়ে জেইউসি সভাপতি মুহম্মদ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাসানুর রশীদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেইউসি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীন সাংবাদিক বদিউল আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে‘র সহকারি মহাসচিব জিএএম আশেকউল্লাহ, জেইউসি সহ সভাপতি মমতাজউদ্দিন বাহারী, সিনিয়র সাংবাদিক কামাল হোসেন আজাদ, রুহুল কাদের বাবুল, আনছার হোসেন, এমআর মাহবুব, গোলাম আজম খান, ইমাম খাইর, ছৈয়দ আলম, ইসলাম মাহমুদ, মাহবুবুর রহমান, আজিজ রাসেল, আবদুল মতিন চৌধুরী, ইব্রাহিম মামুন, ইকবাল বাহার চৌধুরী, আতিকুর রহমান মানিক, কাইছারুল ইসলাম, এইচএন আলম, ওসমান ও মনছুর প্রমুখ।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের বেতন স্কেলের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন কাঠামোর তুলনার সময় নোয়াব নেতারা ভুলে গেছেন যে একজন সরকারি কর্মকর্তা বেতন ছাড়াও জ্বালানিসহ গাড়ি, সরকারি বাড়ি, নামমাত্র সুদে গৃহনির্মাণ ঋণ, ফ্রি মোবাইল, আজীবন পেনশন, বিশেষ পাসপোর্টসহ ভিসামুক্ত বিদেশ ভ্রমণ এমনকি চাকর, বাবুর্চি, মালি থেকে শুরু করে অঢেল সুবিধা পান। সরকারি কর্মকর্তারা সপ্তাহে দুদিনসহ বছরজুড়ে প্রায় ৪ মাস ছুটি ভোগ করলেও সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ছুটি একদিন এবং বার্ষিক ছুটি হাতেগোনা কয়েক দিন। সরকারি কর্মকর্তাদের কর্মঘণ্টা ৮। বিপরীতে সাংবাদিকদের কর্মঘন্টা অনির্ধরিত, বাস্তবে ২৪ ঘন্টা। কারণ একজন সাংবাদিকের কর্মপরিধির মধ্যে যে কোন ঘটনা ঘটলে রাতগভীরেও তাকে সংবাদ সংগ্রহে থাকতে হয়, সবসময় সজাগ থাকতে হয়।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সংবাদত্র শিল্পে বিদ্যমান বৈরী সময় এবং বিজ্ঞাপন ও নিউজপ্রিন্টের ক্ষেত্রে নোয়াবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদের গেজেট বাতিল করে গ্র্যাচুয়িটি, বাড়ি ভাড়া ও আয়করের আগের বিধান পুনর্বহালের দাবি জানান।

মানববন্ধন শেষে মৌন মিছিল কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।