ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

হেলপার সিরাজ এখন একাধিক গাড়ীর মালিক !

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-১৪ ১৩:৪০:৫৭ || আপডেট: ২০১৯-০৮-১৫ ২০:৪৮:৪৭


নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
দুই বছর আগেও গাড়ীর হেলপার ছিল। এখন বনে গেছে তিন তিনটে গাড়ীর মালিক। নিজে ব্যবহার করছে পার্লসার মোটর সাইকেল। বলছি সিরাজুল ইসলাম প্রকাশ সিরাজ ড্রাইভারের কথা। অনেকটা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে এমন অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

সূত্র জানিয়েছে, উখিয়া উপজেলা হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়বিল আব্দুল্ল্যার দোকান এলাকার গনু মিয়া ছেলে সিরাজ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা কারবার করে আসছে। যার ফলে উঠতি বয়সী যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে । ছোটকাল তাকে লালন পালন করেন একই এলাকার নুর আহমদ।

তার সাথে কতিপয় পুলিশের সাথে বিশেষ সম্পর্ক থাকায় তার এসব অপরাধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কেউ বাঁধা দিতে সাহস করে না। যার ফলে সিরাজের মাদক সহ অপরাধ কর্মকান্ড বন্ধ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হোছাইন শরীফ, সোলাইমান, আব্দুল্লাহ, ফরিদ মিস্ত্রী।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন গত কয়েকমাস আগেও ইয়াবার লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে তার একটি গাড়ী রুমখাঁ কোলালপাড়ার আরেক ইয়াবাকারবারি আটকে রাখে। তার ব্যবহৃত ০১৮৯১৬৯৬৩৭৮, ০১৮১৮২০৯৭২১ মোবাইল নাম্বার ট্র্যাকিং এবং ব্যাংক হিসাব যাচাই করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে এমনটি দাবী স্থানীয়দের।।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজ ড্রাইভার নিজেকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত অবদান পত্রিকা ও জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টারস সোসাইটির উপদেষ্টা দাবী করে বলেন, স্থানীয় ভাবে বিরোধের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলম বলেন, সিরাজ ড্রাইভার ইয়াবা কারবারে জড়িত থাকার খবর শুনেছি। কিছুদিন পূর্বে এ ধরণের লেনদেনের কারণে প্রতিপক্ষ তার গাড়ী আটকে রাখে বলে নিশ্চিত করেন। সিরাজের কাছ থেকে কিছুদিন আগে একটি ভুয়া সাংবাদিকতার কার্ডও জব্দ করা হয় বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, মাদক সহ সব ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। সিরাজ ড্রাইভারের বিষয়টিও তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।