ঢাকা, মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট ২০২২

উখিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় এক যুবক নিহত

প্রকাশ: ২০১৯-০৪-২৪ ১৮:১৮:৩৬ || আপডেট: ২০১৯-০৪-২৪ ১৮:৪৬:৫৫


গফুর মিয়া চৌধুরী:
উখিয়ায় প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, ২৪ এপ্রিল সকাল ১১টায় উখিয়ার পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের চাকমাপাড়া নামক এলাকায়। কাঠ চিরাইকে কেন্দ্র করে স’মিলের স্টাফ ও মালিকপক্ষের সাথে তর্কাতর্কির জের ধরে এই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।


উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া লম্বাঘোনা গ্রামের মৃত ভবতোষ বড়ুয়া ছেলে ইমন বড়ুয়া (৩৫) তার বাড়িভিটার রোপিত গাছ চিরাই করতে ঘুমধুম ইউনিয়নের সাবেক ইউ.পি চেয়ারম্যান দীপক বড়ুয়ার মালিকানাধীন স’মিলে যায়।
স’মিলে জনৈক মিস্ত্রীর সাথে তুচ্ছ বিষয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে স’মিল মালিকের ছোট ভাই সমীরণ বড়ুয়া দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। হঠাৎ দু’পক্ষের মধ্যে সন্ত্রাসী হামলায় রূপ নেয়। এতে সমীরণের নেতৃত্বে ইমনের উপর বেদড়ক হামলা চালানো হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ইমনকে প্রথমে উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে আমিরাবাদ এলাকায় তার মৃত্যু হয় বলে ইমনের নিকটাতœীয় অনিত্য বড়ুয়া জানিয়েছেন।


সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ইমন বড়ুয়া মা রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা ইউপি সদস্য পুতুল রানী বড়ুয়া একমাত্র ছেলের মৃত্যুর খবরে বেহুশ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে নিহতের জেঠা পরিতোষ বড়ুয়া অভিযোগ করে বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান দীপক বড়ুয়া’র সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। বিষয়টি উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরীর সমন্বয়ে বিচার বৈঠকে দীপক চেয়ারম্যান গংদের জমির দাবী বিষয়টি ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়। এর জের ধরে তার স’মিলে কাঠ চিরাই করতে গেলে তার ছোট ভাই সন্ত্রাসী সমীরণের নেতৃত্বে ৪ জনের লাঠিয়াল বাহিনী ইমনের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে ইমন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।


এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) জায়েদ নুর বলেন সন্ত্রাসী হামলায় হত্যাকান্ডের বিষয়ে শুনেছি। এখনো থানায় এজাহার আসেনি।