ঢাকা, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২

রাখাইনে আরসার হামলায় ৬ বিজিপি সদস্য আহত

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২০ ১৮:১৩:০৯ || আপডেট: ২০১৯-০১-২০ ১৮:১৩:০৯

অনলাইন ডেস্ক: রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলায় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ছয় সদস্য আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাখাইনে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স, শনিবার আরসা গোষ্ঠীর অন্তত ১০ জন সশস্ত্র হামলাকারী মংডুর ওয়েট কিয়েইন গ্রামে বিজিপি’র একটি ফাঁড়িতে হামলা চালায়। এই হামলার বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি রয়টার্স।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে সীমান্ত ফাঁড়িতে হামলার মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র সংগঠন আরসা’র আত্মপ্রকাশ ঘটে। আরসা রাজ্যটির নাগরিকত্বহীন রোহিঙ্গাদের অধিকারের পক্ষে লড়াই করছে। ২০১৭ সালের আগস্টে বিজিপি’র ফাঁড়িতে আরসা’র হামলার পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইনে সন্ত্রাসবিরোধী শুদ্ধি অভিযানের নামে শুরু হয় নিধনযজ্ঞ।  রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় প্রায় সাড়ে সাত লাখ ত্রিশ হাজার রোহিঙ্গা।

রাখাইনে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে সশস্ত্র বিদ্রোহ করে আসছে আরাকান আর্মি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী,গত ডিসেম্বর থেকে নতুন করে সহিংসতার কারণে বাস্তচ্যুত হয়েছেন পাঁচ হাজার বেসামরিক মানুষ।

দ্য গার্ডিয়ান বলছে, দেশটির ডি ফ্যাক্টো নেত্রী ও রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির নির্দেশেই এ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী প্রধান। গত শুক্রবার রাজধানী নেপিদোতে এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর তথ্য কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল নুই নুই টুন।

গত ৫ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারির অভিযানের বিস্তারিত আলোচনায় তিনি বলেন, ‘আমাদের শত্রুদের ১৩টি লাশ পাওয়া গেছে এবং তিনটি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।’ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সু চি বলেছেন আরাকান আর্মি শুধুই একটি সন্ত্রাসী সংগঠন এবং তাদের কার্যকরভাবে, দ্রুত ও একেবারে পরাজিত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের মতো আরাকান বাহিনীকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।