ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

উখিয়ায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্গন করছে খাইরুল আলম : বিএনপি

প্রকাশ: ২০১৮-১২-১৯ ১৩:৪৫:০৭ || আপডেট: ২০১৮-১২-১৯ ১৪:১৩:৪২

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কক্সবাজারের উখিয়ায় রাজনৈতিক পরিবেশকে দিন দিন অশান্ত করে তুলছে রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম। কোন আওয়ামীলীগ নেতা নয়, খাইরু একমাত্র নাটের গুরু এবং যতসব অন্যায় ও কুটকৌশলের অন্যতম হোতা।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী সাবেক সাংসদ শাহজাহান চৌধুরীর ধানের শীষ মার্কার নির্বাচনী গণসংযোগ প্রচার প্রচারণা ও পথসভায় বাঁধা দেওয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত সাংবাদিক সন্মেলনে বিএনপি নেতারা কথা গুলো বলেছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ শাহাজাহান চৌধুরীর বাসভবনে জরুরী সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির উখিয়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও উখিয়া উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, ১৮ ডিসেম্বর পূর্বে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী উখিয়া সদর ষ্টেশনে বিএনপি’র তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীর ধানের শীষ মার্কার সমর্থনে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আওয়ামীলীগের কোন কর্মসূচী ছিলনা ওই দিন উখিয়ায়। তবুও আওয়ামীলীগ,যুবলীগের কিছু উশৃংখল যুবক এসে বিনা উস্কানীতে আমাদের পথসভায় বাঁধা দেয়।

আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে পুর্বের নির্ধারিত পথসভা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছি। আমরা চাইনা অন্যান্য স্থানের মত উখিয়ার রাজনৈতিক পরিবেশ বিনষ্ট হোক। তবে তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপির কোন অভিযোগ প্রশাসন মাথায় নিচ্ছে না, উল্টো উখিয়া-টেকনাফে প্রতিনিয়ত বিনা কারনে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারসহ নতুন নতুন মামলা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপি থেকে তালাকপ্রাপ্ত খাইরু রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে থেকে সংসদ নির্বাচনকালীন নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে ৩২শ গবীর, দুস্থ মহিলাদের নিকট থেকে ভিজিডি আর ভিজিএফের চাল দেওয়া কথা বলে জাতীয় পরিচয় পত্র জমা নেয়। যা সম্পূর্ণ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্গন করছে।

উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান মাহামুদ চৌধুরী বলেন, জেলার বিএনপি বহিস্কৃত সদস্য উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরীর নির্বাচনী পরিবেশ দিন দিন নষ্ট হচ্ছে। যতসব নির্বাচনী ষড়যন্ত্র ও নির্বাচনী আইন বিরোধী কর্মকান্ড খাইরুল আলম চৌধুরীর নেতৃত্বেই হচ্ছে।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনী আরচণ বিধি লঙ্গন করে গত ১৭ ডিসেম্বর প্রশাসনের লোকদের সাথে এক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে কয়েকটি গায়েবী মামলা রুজু করেছে প্রশাসন। তাছাড়া উক্ত বৈঠকে আরো কি কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তার প্রমাণ রয়েছে।

এ মুহুর্তে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তাকে আইনের আওতায় আনা দরকার। অন্যথায় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সুষ্ঠু ধারায় নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধাগ্রস্থ করা হলে জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন বিএনপি নেতারা।