ঢাকা, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

নিরপেক্ষ নির্বাচন হুমকির মুখে : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

প্রকাশ: ২০১৮-১২-১৫ ১২:৩৫:৩৪ || আপডেট: ২০১৮-১২-১৫ ১২:৪১:৩৮

 

অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনের আগে বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও ভয় দেখিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলছে বলে বিবৃতিতে জানায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

নির্বাচনী প্রচারের সময় সহিংসতা রোধে এবং সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে জাতিসংঘ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো উচিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। খবর বিবিসি বাংলার।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, ‘স্বতন্ত্র ও বিরোধী কণ্ঠকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে দমন করছে আওয়ামী লীগ সরকার, যেন ক্ষমতাসীন দল পূর্ণ রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিতে কোনো বাধার সম্মুখীন না হয়। বিরোধী দলের সমর্থক ও সদস্যরা গ্রেপ্তার, হত্যা, এমনকি গুমের শিকার হচ্ছেন। এতে তৈরি হয়েছে এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ, যা বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের পথে অন্তরায়।’ এ রকম অবস্থায় নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

বিএনপির বরাত দিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতিতে বলা হয়, সেপ্টেম্বরে ধরপাকড় শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিন লাখেরও বেশি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কয়েক হাজার বিরোধী নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসব মামলার অধিকাংশই বিধিবহির্ভূতভাবে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এসেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, সবাই যেন নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলে সে বিষয়ে জোর দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। যদিও বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ কমিশন ক্ষমতাসীন দলকে সমর্থন দিচ্ছে। যদিও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এ বিবৃতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারের কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।