ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

একবার নজরে ছে নজরে মিলে ; কহনা পিয়ার হে..!

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-৩০ ১৪:৪৫:৩৪ || আপডেট: ২০১৮-০৯-০২ ১৫:০৩:৩৪

একবার নজরে ছে নজরে মিলে ; কহনা পিয়ার হে..!

আলমগীর মাহমুদ::

শহিদুল হক বাবুল,নজরুল ইসলাম বাদল আমার কলেজ জীবনের মল্লযোদ্ধা । গরিমার সাম্রাজ্যে সম্রাট বনতে একে অন্যকে কপোকাত করতাম। বাদল কোর্টের সেরেস্তাদার। বাবুল I.C.D.D.R.B চকরিয়া শাখায় গবেষণা কারবারি। বাবুল সুইজারল্যান্ডে দুইবার, চীনে একবার আন্তজার্তিক সেমিনারে নির্বাচিত হয়ে সে দেশে নিজ রচিত প্রবন্ধ পাঠের সৌভাগ্যবান বনে।

আজও কক্সবাজার কলেজের গরিমায় শ্রেষ্ঠত্বধারীর কম্পিটিশনটা আমাদের মধ্যে রয়েই গেল। আগে হতো ক্লাসে বইয়ের পড়ায়। এখন চিন্তায়,ভাবে, অনলাইনে।খোঁচাই, আর ক্ষেপাই।

আজ প্রকৃতির প্রকৃতি অনলাইনে দিতেই বাবুলের তলবি তীর ” ছবিগুলো কি ধারের!! জওয়াবে কই.. আমি আমার হাত,চোখ,রিদয়ের আবরণ বানিয়ে রেখেছি একঝাঁক ছাত্রছাত্রী / এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের। যারা ডেভেলপ করেছে নুতন নুতন চিন্তার,সৃষ্টিশীলতার। কক্সবাজারের মাটিতে থাকতে ছিল না যাহ । এসব মেধাবীরা এক একটা মানুষ এক একটা পৃথিবী।

প্রত্যেক বড় ছুটিই দৃষ্টিদান, গ্রহন, অনুষ্ঠান ভাবায় আমারে।এযুগের ভাবুকদের ভাবনা “বিমোহিত করবে তোমাকে, তুমিও যে মেধাবী। তবে আগ বাড়িয়ে এদের আবিষ্কার করে না নিলে দেখা, বুঝা,অনুভবে আসা, আনা কঠিন। এরা যে জোনাকি পোকার বেশে। এমন নান্দনিক ভাবধারায় ধনীদের ভাবখানা আমার বিভিন্ন ক্লাসের শিষ্যদের কৌশলে কৌশলী আচরণে শুনাই তাঁদের ধ্বনিতে। ওখানে তারাঁ পৌঁছাল কোন চিন্তায়, কিভাবেইবা ধারনা আসল মাথায়। যে কাজটার জন্য শিষ্যরা “অমরণী”গাছের আবহে করছে লালন ।

নিন্দুকেরা ঝাল মিঠায় ” ব্যক্তিত্বহীন” ছাত্র-ছাত্রীর সাথে শুধু কথা বলে, প্রপাগান্ডায়। তাঁরা ভাবে পরীক্ষা পাশের তাবিজই বিদ্যা। ভাবনা চিন্তা ট্রাসফার । যাহ পরীক্ষায় আসে না তাহ বিদ্যা হয় কেমনে! পরীক্ষাপাসের মন্ত্র শিখিয়ে সীলেবাস শেষ করাই শিক্ষকের কর্ম। আমি তাঁদের বুঝাতেও চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহার করেছি।তাঁরাই যে আমারে জ্বালিয়ে তোলে!!

আমার এক ‘চোখ’ এবার গিয়েছিল চকরিয়া। কাঁকারা ছিল এবার ঈদে তাঁর দর্শনের স্থান। তাঁর কাছেই পয়গাম “এই আছে।” চকরিয়া কাঁকারায় সপ্তম অষ্টম শতাব্দীর রাজা বাদশাদের ছিল কেন্দ্রবিন্দু। আছে রেখে যাওয়া নির্দশন।সাথে প্রৃকৃতির নৈসর্গিকতা।সম্রাট আদম শাহের আমলে নির্মিত মসজিদ।অথচ অনেকেই ঢং এর ছলে আমাদের কয় “বালির কারখানা ছাড়া কি আছে তোমাদের!! কলাম লিখতে ভুল করা যখন প্রগাঢ়। তখন সবাইর ভাবনা এই আলমগীর প্রফেসার! সমালোচনা । কেউ বিবেকের ইনপুটে রেখে ভাবেনি দার্শনিক ডেকার্তের শিখিয়ে যাওয়া কথায়।বিষয়কে, প্রশ্ন করো কি? এবং কেন? দ্বারা।কি কারনে হইল? কেন হইল? এমনতো হবার নয়।

এই নুতন প্রজন্ম অনলাইনে আগিয়ে ম্যাসেঞ্জারে মেসেঞ্জারে শিখিয়ে যায় ভুল না করার মন্ত্র “কী বোর্ডের ‘ব্যবহার ।কখনও পরিচয় ছিল না আমাদের।সেদিন ”মহাভারত ” বইটিকে উপহারের সামগ্রী করে ভালবাসার বন্ধন রেখে যায় বিনাসূতায়। ব্যাংকার জামাল উদ্দিন,এই salman nadir রেরা আমারে ভাবিয়ে গেল “মানুষ যদি মানুষের ভালবাসা সাথে গুণের স্বীকৃতি পায় সে অসাধ্য সাধনের ক্ষমতা অর্জন করে!” আসাধ্য অর্জনে .দরদী আবহে আপনিও যদি একবার বলতেন! –“একবার নজরে ছে নজরে মিলে ;কহনা পিয়ার হে…!

লেখক: বিভাগীয় প্রধান।সমাজবিজ্ঞান বিভাগ। উখিয়া কলেজ। [email protected]