ঢাকা, রোববার, ২৬ জুন ২০২২

হ্নীলায় ইয়াবা চালান আত্মসাতের দায়ে রোহিঙ্গা অপহরণ, ২দিন পর মুক্ত

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-২৯ ১৯:৫৩:৩২ || আপডেট: ২০১৮-০৮-২৯ ১৯:৫৩:৩২

 

হুমায়ূন রশিদ, টেকনাফ:

টেকনাফে ইয়াবার চালান আত্মসাতের দায়ে এক রোহিঙ্গাকে অপহরণ করেছে চিহ্নিত ইয়াবা চোরাকারবারীরা। স্বশস্ত্র গ্রুপের চাপের মুখে অবশেষ দু’দিন পর অপহৃত ব্যক্তি মুক্ত।

জানা যায়, ২৯ আগষ্ট রাতের প্রথম প্রহরে অপহৃত কুতুপালংয়ে আশ্রয় নেওয়া মোঃ হোছনকে উপজেলার রঙ্গিখালী জুম্মাপাড়ার চিহ্নিত ইয়াবা গডফাদার আবছার-বেলালের আস্তানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে স্বশস্ত্র গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চাঙ্গা থাকা ইয়াবা চোরাচালানের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। কিছুদিন আগে উক্ত রোহিঙ্গা মোঃ হোছন ওপারে গিয়ে জুম্মা পাড়া সিন্ডিকেটের বিরাট ইয়াবার চালান আনার সময় ৬০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ির চালান খোঁয়া যায়। উক্ত এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা গডফাদার ফকির মিস্ত্রীর পুত্র আবছার (৩২) ও তার সহযোগী গাজী পাড়ার বদি আলমের পুত্র বেলাল (৩০) মিলে মোঃ হোছনকে খুঁজতে থাকে। অবশেষে গত ২৭ আগষ্ট বাদে মাগরিব ঐ রোহিঙ্গা মোঃ হোছনকে রঙ্গিখালী রাস্তার মাথা হতে উক্ত দুই ইয়াবা কারবারী অপহরণ করে জুম্মা পাড়ায় নিয়ে যায়। এই ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর রোহিঙ্গা নেতারা ও স্বশস্ত্র একটি গ্রুপ তৎপর হয়ে উঠে। বিভিন্ন জনকে সন্দেহ করে কটুক্তি করায় বিভিন্ন স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনার সুত্রপাত হয়। এই খবর পেয়ে থানা পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে গেলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে এলাকাবাসী রেহায় পায়। অবশেষে উক্ত রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র গ্রুপ বিশেষ বাহিনী নিয়ে জুম্মা পাড়া অবস্থানের খবর পেয়ে নিরুপায় হয়ে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। আরিফ নামে এক রোহিঙ্গা অপহৃত মোঃ হোছনকে উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করেন। এই বিষয়ে অভিযুক্ত আবছারের বক্তব্য নেওয়ার বার বার চেষ্টা করেও স্বাক্ষাত না পাওয়ায় কোন ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে মাদকসহ যাবতীয় অপরাধ দমনে সরকারের এত কার্য্যক্রমের পরও মাদক চোরাচালানী, অবৈধ অস্ত্রবাজি, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় এবং চুরি-ডাকাতির ঘটনায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।