ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

কক্সবাজারে বনদস্যু-বনকর্মী বন্দুকযুদ্ধ নিহত ১, আহত- ১৭

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-১৭ ১৯:৪০:২৫ || আপডেট: ২০১৮-০৮-১৭ ১৯:৪০:২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের মেহেরঘোনা রেঞ্জাধীন বনবিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বনকর্মী ও বনদস্যুদের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এসময় মোস্তাক আহম্মদ (৩৫) নামে এক বনদস্যু নিহত ও উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধসহ ১৭ জন কম বেশী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও এখনও পর্যন্ত ২ বনপ্রহরী নিখোঁজ রয়েছে।

শুক্রবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। আহত ও নিহতদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধদের মধ্যে বনবিভাগের ৯ জন আহত ও ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বনপ্রহরি আবদুল মান্নান, আবদুল মতিন, জসিম উদ্দিন ও বিটকর্মকর্তা মামুনের অবস্থা আশংকা জনক।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা হক মাহবুব মোর্শেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা (স্পেশাল ওসি) মেহেদী হাসান জানান, একদল সশস্ত্র বনদস্যু শুক্রবার সকালে মেহেরঘোনা বনবিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কাঠ কাটছিল। সংবাদ পেয়ে মেহেরঘোনা বনবিটের একদল বনকর্মী ঘটনাস্থলে পৌছেন। এসময় সশস্ত্র বনদস্যুরা বনকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে এবং ধারালো দা দিয়ে বনকর্মীদের এলোপাতাড়ি কুপায়। জবাবে বনকর্মীরাও আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। দস্যুদের হামলায় ঘটনাস্থলেই ৯ জন বনকর্মী গুলিবিদ্ধ ও দায়ের কুপে আহত হন। আহত ৭ বনকর্মীদের উদ্ধার করা হলেও ২ জন বনকর্মী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা নাছির উদ্দিন জানিয়েছেন, গোলাগুলিতে আহত বনদস্যু কক্সবাজার সদরের মেহেরঘোনার এলাকার মোহাম্মদের ছেলে মোস্তাক আহম্মদ (৩৫)। তার মরদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে রয়েছে। বনদস্যুদের মধ্যে আহত হয়েছেন ৪ জন। এদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হক মাহবুব মোর্শেদ জানান, গুলিবিদ্ধ ও দায়ের কুপে আহত ববনকর্মীদেরকে আশংকা জনক অবস্থায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশংকা জনক

হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। তিনি জানান, এখনো ২ জন বন প্রহরী নিখোঁজ রয়েছেন।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে আহতদের দেখতে জেলা সদর হাসপাতালে ছুটে যান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভা মেয়র মুজিবুর রহমান।