ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট ২০২২

অপহরণের এক সপ্তাহপর টেকনাফের পাহাড় থেকে সিএনজি চালককে উদ্ধার

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-০৪ ১৬:৩৬:২১ || আপডেট: ২০১৮-০৮-০৪ ১৬:৩৬:২১

অপহরণের এক সপ্তাহপর টেকনাফের পাহাড় থেকে সিএনজি চালককে উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক:
এক সপ্তাহ পূর্বে উখিয়া থেকে অপহৃত এক সিএনজি চালককে টেকনাফের রঙ্গীখালীর গহীন পাহাড় থেকে উদ্ধার করেছে টেকনাফ থানার পুলিশ। এসময় তার ব্যবহৃত সিএনজিটিও উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ভোরে এ অভিযান চালানো হয়।
গত ২৯ জুলাই কুতুপালং যাবার কথা বলে একদল যুবক তার সিএনজিটি ভাড়া নিয়ে উখিয়া পৌছার পর তাকে অপহরণ করে।
উদ্ধার সিএনজি চালক মো. রাশেল (২১) কক্সবাজারের পূর্ব কলাতলীর দিল মোহাম্মদের ছেলে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, গত ২৯ জুলাই কক্সবাজার শহরের কলাতলি থেকে ভাড়া নিয়ে রাশেল উখিয়ার কুতুপালং যায়। এর পর থেকে তাকে আর খুজে পাওয়া যাচিছলনা। সিএনজি ও চালকের সন্ধান না পেয়ে গত ৩০ জুলাই সিএনজির মালিক কক্সবাজার মোক্তারকুল বাংলাবাজার এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে জাহাঙ্গীর উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন। এরপরও কোথাও খোঁজ না পেয়ে ২ আগষ্ট রাশেলের পিতা দিল মোহাম্মদ বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
এ ঘটনার পর উখিয়া থানা পুলিশ অপহৃত চালক ও সিএনজি উদ্ধারে টেকনাফ থানার ওসির সহযোগিতা চান। খোঁজ নিতে গিয়ে গোপন সূত্রে খবর আসে অপহরণকারিরা টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী গহীন পাহাড়ে অবস্থান করছে। শনিবার ভোররাতে থানা
পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরনকারীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে অপহৃত সিএনজি চালক মো. রাশেলকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় তার চালিত সিএনজিটিও উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
উদ্ধার সিএনজি চালক মো. রাশেল বলেন, কক্সবাজার থেকে ভাড়া নিয়ে উখিয়ার কুতুপালং পৌছালে কয়েকজন মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে জোর করে একটি মাইক্রোতে তুলে টেকনাফের দিকে নিয়ে যায়। এসময় সিএনজিটিও তাদের সদস্যরা চালিয়ে নিয়ে যায়। অপহরণকারিরা একটি পাহাড়ে নিয়ে আটকে রেখে প্রহার করে। পরে পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করে। মুক্তিপনের টাকা না দিলে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হয়। টাকা না পেলে আজকালের মধ্যে ওরা আমাকে মেরে পাহাড়ে গুম করে দেয়ার পরিকল্পনা করছিল। পুলিশ চেষ্টা না করলে হয়তো লাশ হতে হতো বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।
তিনি আরো বলেন, এ সংঘবদ্ধ দলে ২৫-৩০ জন লোক রয়েছে। তাদের হাতে ভারী অস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র দেখা গেছে।