ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২

চুরি করেনি বরং চোর ধরেছে সরকার : হাছান মাহমুদ

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-২৭ ১৭:০৫:০৭ || আপডেট: ২০১৮-০৭-২৭ ১৭:০৫:০৭

চুরি করেনি বরং চোর ধরেছে সরকার : হাছান মাহমুদ

বড় পুকুরিয়ায় কয়লা চুরি বিএনপিই শুরু করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘২০০৫-০৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বড় পুকুরিয়ায় কয়লা চুরিটা শুরু করেছিল আর আজকে চোর ধরা পড়েছে। বর্তমান সরকার চুরি করেনি বরং সরকার চোর ধরেছে।’

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান বলেন, ‘২০০৫ সালে আপনারা বড় পুকুরিয়ার কয়লা চুরিটা শুরু করেছিলেন সেই ধারাবাহিতায় কিছু কর্মকর্তা চুরির সাথে যুক্ত ছিলেন। আমাদের সরকার সেই চোরদের ধরেছে এবং এই চোরদের ধরার প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে ২০০৫ সালে কারা চুরির সাথে যুক্ত ছিলো সেটিও নিশ্চয় বেরিয়ে আসবে।’

বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষিতে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যারা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় চুরি এবং দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। যাদের চেয়ারপার্সন এতিমের টাকা চুরি করার কারণে শাস্তি প্রাপ্ত হয়ে সাজা ভোগ করছেন। যাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দুই দুটি মামলায় দণ্ডিত হয়ে দেশান্তরি হয়েছেন এবং লন্ডনে টেক্স ফাইলে চুরির অর্থ জায়জ করার জন্যই তিনি বলেছেন জুয়া খেলার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেছেন। যাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এফবিআই দেশে এসে স্বাক্ষ্য দিয়ে যায়। যাদের চেয়ারপার্সনের প্রয়াত পুত্র দেশান্তরি হয়ে মালেশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে ছিলেন। যাদের দুর্নীতি সিঙ্গাপুরে উদঘাটিত হয়। যাদের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের কারণে তাদের(বিএনপির) দলের নেতাদের আমেরিকাতে শাস্থি হয়। তারা আবার বড় গলায় কথা বলেন। অর্থাৎ চোরের মায়ের বড় গলা।’

বিএনপি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ঢাকায় আনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের নেতাকর্মী যাদের ঢাকায় ঢাকছেন তাদের উপর কি আপনাদের আস্থা আছে? আস্থা নাই। কারণ যেই নেতারা তাদের কর্মীদের মাঠে ফেলে পালিয়ে যায় সেই নেতাদের উপর কর্মীদের কোন আস্থা থাকে না। তৃণমূল নেতাদের কাছে আমি আশা করবো তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের বলবেন আপনারা দয়াকরে আর পেট্টোল বোমা এবং গাড়ি ভাংচুরের কর্মসূচি দেবেন না বরং নির্বাচনে যাবার কর্মসূচি আপনারা দেন।’

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আকতার হোসেন প্রমুখ।