ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২২

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে মালয়েশিয়া : প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সাবু

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-১২ ২২:৫৮:১৩ || আপডেট: ২০১৮-০৭-১২ ২২:৫৮:১৩

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে মালয়েশিয়া : প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সাবু
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের ত্যাগ বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য অনুকরনীয় উল্লেখ করে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সাবু বলেছেন, বাংলাদেশের মত একটি ছোট দেশে বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার যে দৃষ্টান্ত রেখেছেন তা পৃথিবীতে বিরল। আশ্রিত রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা সেবাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখা বাংলাদেশেরর জন্য চ্যালেঞ্জিং। কোন ওজর আপত্তিহীন ভাবে বাংলাদেশ তা করে যাচ্ছে, এটি ধন্যবাদের যোগ্য। রোহিঙ্গা ইস্যুতে শুরু করা সহযোগিতা শেষ পর্যন্ত রাখবে মালেশিয়া সরকার।
বৃহস্পতিবার বিকালে কুতুপালং ডি ব্লকের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্থাপনা  ঘুরে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য জাতিসংঘসহ আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় কাজ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মর্যাদা সহকারে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হবে। এ ব্যাপারে মালয়েশিয়া সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
ক্যাম্প পরিদর্শনকালে রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলে তাদের সুখ দুঃখের কথা জানতে চান তিনি। পরে ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এখানে যতদিন থাকবে ততদিন  মালয়েশিয়া সরকার সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।
তিনি টিএন্ডটি এলাকায় মালয়েশিয়া সরকার পরিচালিত হাসপাতালের কথা  উল্লেখ করে বলেন,  রোহিঙ্গারা যাতে চাহিদামত স্বাস্থ্য সেবা পায় সেজন্য প্রয়োজন বশত এ হাসপাতালকে আরো সম্প্রসারন করা হবে। হাসপাতাল পরিদর্শনকালে দায়িত্বরত সংশ্লিষ্টদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আন্তরিক হওয়ার নির্দেশনা দেন।
মালয়েশিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিকাল সাড়ে ৩ টা থেকে সন্ধা ৬ টা পর্যন্ত ক্যাম্পে অবস্থান করে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন।
প্রায় ১৮ সদস্যের মালয়েশিয়ান প্রতিনিধিদল সাড়ে ৬ টার দিকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্য কুতুপালং ত্যাগ করেন। এসময় তাদের সাথে ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সরওয়ার কামাল,  উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জআমান চৌধুরী, ওসি আবুল খায়েরসহ বিমান বাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে বেলা আড়াইটার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা।