ঢাকা, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

১৫ জুলাইয়ের পর এমপিওর আবেদন

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০৪ ২০:২০:৪১ || আপডেট: ২০১৮-০৭-০৪ ২০:২০:৪১

১৫ জুলাইয়ের পর এমপিওর আবেদন

সিএসবি২৪ ডটকম: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আগামী ১৫ জুলাইয়ের পর আবেদন গ্রহণের সম্ভাব্য সময় ধরে এগুচ্ছে এ সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের দুই কমিটি। আজ বুধবার কমিটির দ্বিতীয় সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

সভা শেষে সন্ধ্যায় কমিটির একজন সদস্য আমাদের সময়কে জানান, কমিটির কাজের ধরন। কাজের কৌশল ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এমপিও নীতিমালা ২০১৮ অনুযায়ী অনলাইন সফটওয়্যার তৈরি হবে। এতে কী ধরনের ইনপুট নেওয়া হবে? বছাই প্রক্রিয়া কী হবে। প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা নিরূপণ করে ক্রমিক তৈরি এসব আলোচ্য বিষয়।

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। ১৫ জুলাই থেকে আবেদন গ্রহণের লক্ষ্যে কমিটি কাজ করছে। সবকিছু নির্ভর করছে সফটওয়্যার তৈরির পর। এতে আরও সময় লাগতে পারে। টেকনিক্যাল বিষয়। তাড়াহুড়া করে ভুল করা যাবে না। নির্ভুল করেই শুরু করতে হবে। সেজন্য সময় বেশি গেলেও ভালো ফল আসবে।

গত ২০ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ পৃথক দুইটি কমিটি গঠন করেছে। একটি হচ্ছে আবেদন বাছাই কমিটি, অন্যটি হচ্ছে অনলাইন ব্যবস্থাপনা কমিটি।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর নীলক্ষেতে ব্যানবেইস ভবনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় সভা। এর আগের সভা হয়েছেছিল গত ২৫ জুন। এই সভায় এমপিওভুক্তির জন্য কর্মপরিকল্পনা গুছিয়ে নেন কমিটি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ জানান, এমপিওর নতুন নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইন সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেওয়া পুরনো আবেদন (হার্ডকপি) কোনো কাজে আসবে না। সফটওয়্যার তৈরির পর নতুন করে অনলাইনের নির্ধারিত ছকে আবেদন নেওয়া হবে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রস্তুত করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরে গ্রেডেশন তালিকা করা হবে।

কমিটির কাজ হচ্ছে- এমপিও নীতিমালা ২০১৮ অনুযায়ী নতুন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করা। প্রতিষ্ঠানের আবেদনে প্রদত্ত তথ্যে কোনো অনিয়ম/অসামঞ্জসতা পরিলক্ষিত হলে তা পরীক্ষা নিরীক্ষাপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করা। প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করা।

সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর এমপিওভুক্তিকরণ বন্ধ রয়েছে। এমপিওভুক্তির দাবিতে তিন সপ্তাহের অধিক নন-এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়কে অবস্থান কর্মসূচির পর গত নয়দিন যাবৎ অনশন করছেন।