ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

ইনানী সানপাল রির্সোটের নির্মানাধীন কাজে বাঁধা, জবর দখলের ঘটনায় উত্তেজনা

প্রকাশ: ২০১৭-০৭-২৩ ২১:১৩:৪০ || আপডেট: ২০১৭-০৭-২৩ ২১:১৩:৪০

ইনানী সানপাল রির্সোটের নির্মানাধীন কাজে বাঁধা, জবর দখলের ঘটনায় উত্তেজনা

গফুর মিয়া চৌধুরী, উখিয়া:
কক্সবাজারের উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের পর্যটন স্পট ইনানী সোনারপাড়া মেরিন ড্রাইভ সড়কের পূর্ব পার্শ্বে সানপাল রির্সোটের নির্মানাধীন কাজে বাঁধা প্রদান সহ জায়গা জবর দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি প্রভাবশালী একটি মহলের প্রাণনাশের হুমকিতে টঢস্থ হয়ে পড়েছে নিরহ জায়গার মালিক।

এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে উখিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী রুজু করে ভূক্তভোগী মিজানুর রহমান ও তাঁর পরিবার।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ফিরোজপুর জেলার বাসিন্দা মিজানুর রহমান ১৯৯৫ সালে উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনার পাড়া এলাকায় ৮০শতক জায়গা ক্রয় করে। সে থেকে উক্ত ক্রয়কৃত জায়গায় ভোগদখল করে আসলেও বিভিন্ন সময় স্থানীয় ভূমিদস্যুরা একাধিক বার জায়গা জবর দখলের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

জায়গার মালিক মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেছেন, এ.আর.সি শ্রিম্প হ্যাচারীর মালিক আব্দুর রহিম চৌধুরী অতি সম্প্রতি স্থানীয় কিছু লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে উত্তর পার্শ্বে জায়গা জবর দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও প্রস্তাবিত রির্সোটের কেয়ারটেকার শামশু ও ম্যানেজার হাসানকে হুমকি ধমকি সহ প্রাণনাশের চেষ্টা চালায়।

তিনি আরও বলেন, রির্সোটের জায়গায় বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করতে চাইলে হ্যাচারীর মালিক আব্দুর রহিম চৌধুরীর ভাড়াটিয়া লোকজন এনে বাঁধা প্রদান করে এবং তাঁর ছেলে জঙ্গি কানেশন ও সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর কিছুদিন নিরব থাকলেও এখন নতুন করে জায়গা জবর দখলের পায়তারা লিপ্ত রয়েছে।

এদিকে জায়গা জবর দখলের অপচেষ্টার ঘটনায় গত ১৫ জুলাই মিজানুর রহমান উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী লিপিবদ্ধ করেন। যার নং ৯১৫/১৭

এদিকে এ.আর.সি শ্রিম্প হ্যাচারীর মালিক আব্দুর রহিম চৌধুরী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কারো জায়গা জবর দখলের জড়িত নই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবুল খায়ের বলেন, জায়গা জবর দখলের বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে এবং শান্তি শৃংখলা রক্ষার পাশা-পাশি এ.আর.সি হ্যাচারীর মালিক আব্দুর রহিম চৌধুরীকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।