ঢাকা, শুক্রবার, ১ জুলাই ২০২২

অপহরনের দেড় মাসেও হদিস মিলেনি ডা. রেনিন সু তালুকদারের

প্রকাশ: ২০১৭-০৭-২০ ১৫:৪৭:২৫ || আপডেট: ২০১৭-০৭-২০ ১৫:৪৭:২৫

অপহরনের দেড় মাসেও হদিস মিলেনি ডা. রেনিন সু তালুকদারের

রাঙামাটি :: দীর্ঘ এক বছর সাত মাস বিনাবিচারে রাঙামাটি জেলখানায় আটক থাকার পর  আইনী প্রক্রিয়ায় জামিনে মুক্তি পেয়ে জেল থেকে বাহির হওয়া মাত্র গত ৫ জুন রাঙামাটি জেল গেইটের কাছাকাছি রাঙামাটি শহরের খাদ্য গুদামের সামনে থেকে ডা. রেনাইং জো প্রকাশ রেনিন সু তালুকদার ও সাংবাদিক নির্মল বড়–য়া মিলনকে ৮-১০ জনের একটি সাদা পোশাকধারী দল অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরনের ১৪ ঘন্টা পর হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানা সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে সাংবাদিক নির্মল বড়–য়া মিলনকে চুনারুঘাট থানা পুলিশ উদ্ধার করে। কিন্তু অপহরনের দেড়মাস অতিবাহিত হলেও হদিস মিলেনি ডা. রেনিন সু তালুকদারের।

ডা. রেনিন সু তালুকদারের আইনজীবি উথোয়াই মং মারমা জানান ডা. রেনিন সু তালুকদারের স্ত্রীর বড় ভাই উসুই মং মারমা (৫৪) ২২ জুন ২০১৭ রাঙামাটি কোতয়ালী থানায় একটি সাধারন ডাইরী করেছেন। ডাইরী নং ৯৪২। ডা. রেনিন সু তালুকদারের স্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে কিন্তু ডা. রেনিন সু তালুকদারের কোন হদিস পাওয়া যায়নি বলেন আইনজীবি উথোয়াই মং মারমা।

এদিকে ডা. রেনিন সু তালুকদারের বয়োবৃদ্ধ শশুর অংসুই প্রু মারমা মেয়ের জামাইকে সুস্থভাবে জীবিত অবস্থায় ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৪ অক্টোবর ২০১৫ ইংরেজি তারিখে ডা. রেনিন সু তালুকদার পিতা-উসান সুয়ে তালুকদার, মাতা- মাতুসিং তালুকদার কলেজপাড়া, রাজস্থলী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা’কে পুলিশ আটক করে। আটকের পর সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী ২০১৩) ধারা ৬(২)(আ)/৭(১)(৩)/১০/১৪(১)(ক)/১২, বৈদেশীক মুদ্রা বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৯৭৪ সালের ২৫ খ (১)(ক) ও বিদেশী নাগরিক সম্পর্কীত আইন ১৯৪৬ এর ১৪ ধারায় তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। ডা. রেনিন সু তালুকদার সবগুলি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। মুক্ত হওয়ার পরপরই তাকে অপহরণ করা হয়। এরপর থেকে ডা. রেনিন সু তালুকদারের কোন হদিস পায়নি তার আত্মীয় স্বজন।