ঢাকা, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২

দেশীয় চাহিদার শতকরা ৯৮ ভাগের বেশি ওষুধ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় :স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৭-০৬-০৬ ১৪:৪৯:২২ || আপডেট: ২০১৭-০৬-০৬ ১৪:৪৯:২২

দেশীয় চাহিদার শতকরা ৯৮ ভাগের বেশি ওষুধ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় :স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বর্তমানে দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল বিশ্বের ১২৭টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।মঙ্গলবার সংসদের প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত আসনের লুৎফা তাহেরের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিল উত্থাপিত হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রয় ও উৎপাদনকারী ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির বিরুদ্ধে সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও অন্যান্য আইন-শৃংখলা বাহিনী সর্বদাই সচেষ্ট রয়েছে এবং এ ব্যাপারে সরকার কঠোরতা অবলম্বন করছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের আন্তরিকতা ও উদারনীতির ফলে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প অন্যতম শিল্প সেক্টরে পরিণত হয়েছে। দেশীয় চাহিদার শতকরা ৯৮ ভাগের বেশি ওষুধ বর্তমানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়।এছাড়া ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদনের জন্য ২০১৬ সালে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ৬১টি পদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল ও ১৪টি পদের রেজিস্ট্রেশন সাময়িক বাতিলসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অ্যালোপেথিক, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক, হোমিওপ্যাথিক ও হারবাল ওষুধ প্রস্তুতকারী কারখানার সংখ্যা ৮৫১টি। এর মধ্যে অ্যালোপেথিক ২৬৬টি, ইউনানী ২৬৭টি, আয়ুর্বেদিক ২০৭টি, হোমিওপ্যাথিক ৭৯টি ও হারবাল ৩২টি।