ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শনে মিয়ানমার তদন্তকারী কমিশন

প্রকাশ: ২০১৭-০৩-১৯ ১৮:১০:১৯ || আপডেট: ২০১৭-০৩-১৯ ১৮:১০:৪৬

শহিদুল ইসলাম, উখিয়া ::
ককসবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তি পরির্দশন করেছে মিয়ানমারের তদন্তকারী কমিশন। রবিবার দুপুর ২টা থেকে সাড়ে তিন টা পর্যন্ত দেড় ঘন্টা ব্যাপী রোহিঙ্গা বস্তি পরিদশন কেেরছ। এসময় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা নতুন বিশ জনের অধিকরোহিঙ্গার সাথে কথা বলেছে । বেঠকে থাকা  মিয়ানমারের কেয়ারী পাড়ার  আবুল কালাম, নুর কামাল ,আবুল ফয়েস জানান ,অনেক দিন পর মিয়ানমার থেকে লোক আসায় খুশি । এ্তদিন বিভিন্ন দেশের লোক দেখতে এ্সেছে ।  সেদেশের সামরিক বাহিনীর নিমর্ম নির্যাতন, গণ হত্যা ,র্ধষণ , বসত বাড়ী কেড়ে নেয়।   কোন রকম জীবন বাজি রেখে পালিয়ে আসি। প্রতিনিধি দলের প্রধান জ্য মিন্ট পের গভীর মনোযোগ সহ কারে শোনে।  নোয়াপাড়ার রহিমা খাতুন বলেন মিয়ানমার থেকে তিন ছেলে ও এক মেয়ে কে  পালিয়ে  আসি । এখানে এসে ঝুপড়িতে আশ্রয় নিয়।  মিলিটারি আমার স্বামী কে গুলি করে  হত্যা করে। পরে তারা  গনহত্যা, ধর্ষৃন শিকার  নারী –পুরষের তালিকা দেওয়া হয়্ ্।  প্রতিনিধি দল সবকিছুর খোজঁখবর নেন।  শ্রীঘ এ বিষয়ে মিয়ান মার  সরকারকে  জানানো হবে।  প্রতিনিধি দলের সাথে ছিলেন ড.অ্যং তুন থেট ,তুন মায়াট,নিয়াট সোয়ে, ড.থেট থেট ঝিন, ও কিয়ান নাগি মান। এছাড়াও উখিয়া-টেকনাফ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাই লাউ মারমা, উখিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের , এনজি  প্রতিনিধি।  প্রতিনিধি দলটি রবিবার সকালে ককসবাজার পৌছে  জেলা প্রশাসনের সাথে বেঠকে মিলিত হয়।

আগামী ২০র্মাচ সোমবার সকাল ১১টায় উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী টালে পরিদশৃন করার কথা রয়েছে ।  চলিত মাসের ৯মার্চ নেদারল্যান্ড রাষ্ট্র দূত লিওনি পর্রিদশন করে।  বিগত ২০১৬সালের অক্টোবর মাসে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্যাতন সহ্যকরতে না পেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে এ সব রোহিঙ্গা।  বিভিন্ন তথ্য মতে উখিযার কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তি ও বালুখালী টালে ৬৬হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয়্ ।   উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তির নেতা মো: নুর বলেন দীর্ঘদিন পর নিজ দেশে থেকে লোক আসায় বেশি খুশি । তারা নির্যাতনের কথা শোনে দু:খ প্রকাশ করেন। শীঘ্র নিজ দেশে ফেরত যেতে চাই্।