ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ কখনো রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে পারবেনা: কাজল

প্রকাশ: ২০১৭-০৩-০৯ ২০:৩০:৪৩ || আপডেট: ২০১৭-০৩-০৯ ২০:৩০:৪৩

নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ কখনো রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে পারবেনা: কাজল
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি::

ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের সাথে আঁতাত করেই আওয়ামী লীগ তারেক রহমানকে পঙ্গু বানিয়েছিল। কারণ, তারা আগে থেকেই জানতো- তারেক রহমান মুক্ত থাকলে ওয়ান-ইলেভেন ষড়ষন্ত্র কখনোই বাস্তবায়ন হতোনা। তাই ষড়ষন্ত্রমুলক মামলায় তারেক রহমানকে জড়িয়ে গ্রেফতার পূর্বক চরম নির্যাতনের পথ বেঁচে নিয়েছিল। তিনি বলেন, এই অবৈধ সরকার মামলা দিয়ে তারেক রহমানের অগ্রযাত্রাকে বাঁধাগ্রস্ত করতে পারবেন না। একদিন তিনি বীরের বেশে বাংলাদেশে আবার রাজনীতিতে ফিরে আসবেন।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারাবন্দী দিবসের আলোচনা সভায় তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাসেদুল হক রাসেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ স¤পাদক মনির উদ্দিন মনিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সাবেক এমপি কাজল আরো বলেন, সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা কথায় কথায় উন্নয়নের কথা বলে থাকেন। উন্নয়ন করে আপনারা যদি এতো বেশি জনপ্রিয় হয়ে থাকেন- তাহলে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে ভয় পাচ্ছেন কেন? তিনি নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার আহবান জানান। বিএনপি নেতা লুৎফুর রহমান কাজল চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, যদি নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়, আওয়ামীলীগ কখনোই এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারবেনা।

তিনি দুঃখ করে বলেন, রাজনীতি করতে হলে সব রাজনৈতিক দলের সমান সুযোগ থাকতে হবে। কিন্তু বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সভা সমাবেশে বাঁধা, আর আওয়ামী লীগের সভা সমাবেশে কোন বাঁধা নেই। এটা কোন গণতান্ত্রিক সরকারের আচরণ হতে পারেনা। সভায় বেগম জিয়াকে কুমিল্লার একটি মিথ্যা মামলার চার্জশীটে অন্তর্ভুক্ত করার তীব্র নিন্দা জানান। এ মামলার চার্জশীট থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবী জানান।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি হামিদ উদ্দিন ইউছুফ গুন্নু, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম মোকতার আহমদ, সদর যুবদলের সভাপতি ফরিদুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আবচার কামাল, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জাহেদুল ইসলাম রিটন, সাইফুর রহমান নয়ন, ফাহিমুর রহমান ফাহিম, ফারুক আজম, জাহেদুল হক জাহেদ, জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদব মো. আমিন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক মিজানুল আলম, রাশেদুল করিম, মোজাম্মেল হক, আলমগীর কবির, নেজাম উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সিকদার, সাদ্দাম হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিজভি খান, হুমায়ুন কবির, প্রচার সম্পাদ আশরাফ ইমরান, দপ্তর মোশারফ ফয়সাল মোশারফ ফয়েজ, সহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আকতার নূর, সাংস্কৃতিক সম্পাদক একরামুল হক, ক্রিড়া সম্পাদক ইফতেখারুল মাহমুদ জুয়েল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ইনজামামুল হক, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক জাফর আলম, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রবিউল হাসান রবি, অর্থ সম্পাদক আল আমিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির রিপন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ খান, প্রশিক্ষন সম্পাদক মো. তানভির, গণশিক্ষা সম্পাদক রজিমুল্লাহ, পরিবেশ ও জলবায়ূ সম্পাদক মো. সাদ্দাম হোসেন, সহপ্রচার সম্পাদক হাফিজ আল আসাদ, আবুদুল্লাহ আল মামুন, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো ফায়েজ, সহ-ক্রিড়া সম্পাদক নূর হোসেন, সহ-স্কুল সম্পাদক সাহাবাজ হায়দার আকাশ, সহ-আইন সম্পাদক দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, রাশেদুল হক, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির, সহধর্ম সম্পাদক হাফেজ শাহনেওয়াজ, সহআপ্যায়ন সহধর্ম সম্পাদক নসির উদ্দিন পিন্টু, সহগণশিক্ষা সম্পাদক বেদারুল ইসলাম, সদস্য আবদুল হামিদ খান, আলমগীল সালাম পুলক, আসিফ সুলাইমান, সাদেক হোসেন, ওসমান সরওয়ার টিপু, মো. ছোটন, মো. মুজাহিদ. মো. রিদুয়ান, মো. সাদ্দাম হোসেন, শফিউল আলম, রবি আলম, মো.ইমন, মো. ফয়সাল, এহসান, মোবাশ্শের আহমদ বাবু, হেলাল উদ্দিন, মো. জামাল, সাকিব, আয়াত, ইয়াছিন আরাফাত, বাবু-২, এরশাদ, শাহেদ, আবদুল আলিম, আবদুল হাকিম ছোটন, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, শাহরিয়ার আবিদ খান, খুখূ চাকমা, শাওন দে, আসিফ ইকবাল, রিফাত, রাকিব, নোমান, মুন্না, আলফাজ, রিয়াদ, আতিক, আরফাত, শাহীন, শাহেদ, জিহান, কায়সার হামিদ, জামশেদ কামাল, রুবেল মিয়া, কাউসারুল হাসান, শামীম, অন্তর দে বিশাল, জাহিদুল ইসলাম রুবেল, আবু বক্কর ছিদ্দিক, ফয়সাল রিয়াদ, শাকের উল্লাহ, একরামুল হক, নয়ন, রিয়াজ উদ্দিন, দিদার, নজরুল। সভার শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন জেলা ছাত্রদলের সহধর্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান।