ঢাকা, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২

মধ্যরত্না-বড়বিল সড়কটি চলাচলের অযোগ্য, সংস্কার জরুরী

প্রকাশ: ২০১৭-০১-২৫ ১৯:২৪:৩৯ || আপডেট: ২০১৭-০১-২৫ ১৯:২৫:১০

মধ্যরত্না-বড়বিল সড়কটি চলাচলের অযোগ্য, সংস্কার জরুরী
সবুজ বড়ুয়া, সিএসবি২৪ ডটকম::
উখিয়া উপজেলার মধ্যমরত্না টু দক্ষিণ বড়বিল যাতায়াতের একমাত্র ব্যস্ততম সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার অভাবে জনচলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কালভাট গুলির ভাঙ্গন ধরেছে। বাড়ছে মারাত্মক সড়ক দূর্ঘটনার ঝুঁকি।

জানা যায়, দীর্ঘ ২৫ বৎসর আগে ব্রীক সলিন দ্বারা উন্নীত সড়কটি দুই ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক হওয়ায় উভয় ইউনিয়নের দায়িত্বশীলদের আন্তরিকতার অভাবে কার্পেটিং তো দূরের কথা সংস্কার আওতায়ও আসেনি। এ বিষয়ে আপেক্ষ করে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন ইউ.পি সদস্য ডা: আবুল কাশেম বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী সহ অন্তত ১৫ হাজার মানুষের চলাচল করে।

রত্নাপালং ইউ.পি সদস্য মোকতার আহমদ বলেন, সড়কটিতে ২টি কালভার্ট প্রায় ভঙ্গুর অবস্থায়। পরিষদে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্ধের মাধ্যমে সংস্কার করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
মধ্যরত্না গ্রামের বাসিন্দা বিকাশ বড়ুয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন, ব্যস্ততম সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শতশত টমটম রিক্সা তো চলাচল করেছেই তার উপর প্রতিদিন ডাম্পার গাড়ীর মাত্রারিক্ত ভারীবহনে রাস্তটির বেহাল অবস্থা। স্থানীয় জনপতিনিধি এবং এলজিইডি কর্তৃপক্ষের দায়-দায়িত্ব থাকলেও কি কারণে তারা নিরব জানা নেই।

স্থানীয় আবদুল মাজেদ বলেন, সাধারণ জনগণের পাশাপাশি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের একমাত্র যাতায়াত মাধ্যম ভাঙাচোরা সড়কটিতে প্রায় সময় গাড়ী উল্টে যায়। হয়তো বড় ধরণের একটি দূর্র্ঘটনা ঘটলে ঘুম ভাঙ্গবে কর্তৃপক্ষের। তাই অতিশীঘ্রই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ।

এলজিইডি খাতওয়ারি কর্মকান্ডের আওতায় এ বিষয়ে উখিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।